kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ক্যামেরায় ‘নজরবন্দি’ মিরপুর

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ক্যামেরায় ‘নজরবন্দি’ মিরপুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রেস এরিয়ার স্মোকিং জোনে বসে হাঁপাচ্ছেন অচেনা একজন। আলাপে জানা গেল, তাঁর প্রতিষ্ঠানই ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা বসানোর কাজে ব্যস্ত।

সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ পাওয়া এনস্ট্রাস্টের ওই প্রতিনিধির ক্লান্তির কারণটা অবশ্য ভিন্ন, ‘মাত্র তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছে দেড় শ ক্যামেরা বসানোর জন্য। ’ তবে সময়স্বল্পতাও মিরপুর স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাঘাত ঘটাবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি, ‘স্টেডিয়ামের প্রবেশপথ থেকে প্রতিটি কোনা নজরদারিতে থাকবে। ’ জানা গেছে, সিসি ক্যামেরা এড়িয়ে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রবেশের সাধ্যি কারো নেই, ওখানে বসছে আরো ১৬০টি যান্ত্রিক চোখ!

৬০টি সিসি ক্যামেরা আগেই বসানো ছিল মিরপুরে। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে ইংলিশদের গাঁইগুইয়ের কারণে বাড়ানো হয়েছে ভিডিও পর্যবেক্ষণ। কিন্তু সে পরিকল্পনা তো আরো আগেই নেওয়ার কথা! অবশ্য সিরিজ-পূর্ব বিসিবির সব কিছুই চলে লোকাল বাসের মতো, রহস্যময় কারণে শেষ মুহূর্তে ছোটে সুপার ফাস্ট ট্রেনের গতিতে! স্পর্শকাতর এ সিরিজও তার ব্যতিক্রম নয়।

কর্মীরা রাতদিন ব্যস্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপণে। আর কাল দিনের বেলায় নিরাপত্তা মহড়ায় সেনাবাহিনী। লে. কর্নেল ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে এক প্লাটুন প্যারা কমান্ডো জিম্মি উদ্ধারের মহড়া দিলেন, যা চাক্ষুষ করে সন্তুষ্ট ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ডের নিরাপত্তাপ্রধান রেগ ডিকাসন, ‘আমরা হাতেকলমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জিম্মি সংকট নিরসনের সক্ষমতার একটা মহড়া দেখলাম। এতে করে চমৎকার এই দেশে ভ্রমণের ব্যাপারে আমাদের ভরসাটা আরো বাড়ল। বাংলাদেশে আমরা যে ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখছি তা অত্যন্ত উঁচু মানের। দলের ভেতেরও আর নিরাপত্তা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই। ’

সফরকারী দলের খেলোয়াড়ই শুধু নন, সাংবাদিকদের জন্যও রয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। ব্রিটিশ সাংবাদিকদের স্টেডিয়ামে আনা-নেওয়া হচ্ছে মাইক্রোবাসে, পুলিশ প্রোটেকশনের মধ্য দিয়েই।


মন্তব্য