kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

ভুটান ভীতিটা সম্পূর্ণ অমূলক

তিনি জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ খেলেছিলেন গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর, পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ১৩ মাস পর সেই জাহিদ হাসানকে দলে ফিরিয়ে কোচ গোলের লোক বাড়িয়েছেন। ইনজুরি সেরে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের জার্সিতে মোহামেডান ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে খেলা এই স্ট্রাইকারের কাছে জাতীয় দলের এই ডাক অনেকটা অপ্রত্যাশিতই। ভুটানের বিপক্ষে কয়েকটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দলের অবস্থা এবং ১০ তারিখের ম্যাচ নিয়ে কথা বলেছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ভুটান ভীতিটা সম্পূর্ণ অমূলক

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : প্রায় ১৩ মাস পর আপনি জাতীয় দলে ফিরেছেন?

জাহিদ হাসান : ইনজুরিতে থেকে সেরে উঠতে অনেক সময় লেগেছে। কোচকে ধন্যবাদ, ক্লাবের হয়ে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলার পরও প্র্যাকটিসে দেখে আমাকে ডেকে নিয়েছেন।

প্র্যাকটিসে আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এখন আমার লিগামেন্টে আর কোনো সমস্যা নেই। কোচ বোধ হয় ইউটিউবে আমার খেলা দেখেছেন।

প্রশ্ন : চারদিকে একটা ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে, ভুটানের সঙ্গে না হেরে যায় বাংলাদেশ...।

জাহিদ : আমার ব্যক্তিগত ধারণা হলো, এই ভীতিটা সম্পূর্ণ অমূলক। ঢাকায় আমরা ড্র করেছি বলেই সংবাদ সম্মেলনে এত প্রশ্ন উঠছে, এত কথা হচ্ছে। ওই হোম ম্যাচটি দেখুন, ম্যাচে আমাদেরই আধিপত্য ছিল, তবে গোলের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। সেরকম সুযোগ আবার পেলে হয়তো দু-তিনটি গোল হবে। ওই ম্যাচ না জেতায় এখন সবার ওপর অন্য রকম চাপ তৈরি হয়েছে।

প্রশ্ন : চাপ নিয়ে কি ম্যাচ জেতা যাবে থিম্পুতে?

জাহিদ : কয়েকটা প্র্যাকটিস সেশন যেভাবে দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে সবাই খুব সিরিয়াস ভুটানের ম্যাচ নিয়ে। এ ছাড়া লিগেও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের উন্নতি হয়েছে গত এক মাসে। স্ট্রাইকাররা গোল পেয়েছে, আত্মবিশ্বাসও ফিরেছে।

প্রশ্ন : বলা হচ্ছে, থিম্পুর উচ্চতা ও ঠাণ্ডা একটা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

জাহিদ : কিছুদিন আগে আমাদের শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র থিম্পুতে খেলে এসেছে। কিন্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের সেরকম কোনো সমস্যা হয়নি সেখানে, এখনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে তখনকার আবহাওয়া ঠাণ্ডাও ছিল না। এখন ঠাণ্ডা পড়েছে, এ নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা আছে। তবে এটা বরফ পড়া ঠাণ্ডা নয়, ১৬/১৭ ডিগ্রির মধ্যে আরামে খেলা যায়।

প্রশ্ন : আপনি তো অনেক ম্যাচ খেলেছেন ভুটানের সঙ্গে। এই ম্যাচ কি উতরাতে পারবে বাংলাদেশ?

জাহিদ : আমার ক্যারিয়ারের প্রথম গোলই ভুটানের সঙ্গে, ২০০৫ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। ভুটান ভালো খেলে কিন্তু এখনো আমাদের চেয়ে পেছনে আছে। ঢাকার ম্যাচের আগে কেরালা সাফে বাংলাদেশের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল ভুটান। সুতরাং ভুটানের বিপক্ষে অবশ্যই আমাদের জেতার বিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামা উচিত। বিশেষ করে এই দলে অনেক ফরোয়ার্ড, গোলের ওপর জোর দিয়েই কোচ স্ট্রাইকার বেশি নিয়েছেন। আশা করি, ম্যাচ জিতেই ফিরব।


মন্তব্য