kalerkantho


জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সং

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সং

ক্যামেরুনের কিংবদন্তি তিনি। জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন রেকর্ড ১৩৭ ম্যাচ।

আফ্রিকান নেশনস কাপের পাঁচ আসরে ছিলেন অদম্য সিংহের কাণ্ডারি। অথচ ৪০ বছর বয়সেই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সেই রিগোবার্ত সং। গত পরশু ছিলেন ক্যামেরুনের ওদজা শহরে নিজের বাড়িতে। হঠাৎ মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে হারিয়ে ফেলেন জ্ঞান। সঙ্গে সঙ্গে নেওয়া হয় পাশের শহর ইয়োন্ডের এক হাসপাতালে। কিন্তু জ্ঞান ফেরেনি লিভারপুল, ওয়েস্ট হ্যাম, গ্যালাতেসারাইয়ের সাবেক এ ডিফেন্ডারের। এখনো কোমায় তিনি।

সংয়ের সুস্থতা কামনায় টুইটারে প্রার্থনা জানিয়েছেন অনেকে। দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও ক্যামেরুনের সাবেক অধিনায়ক স্যামুয়েল এতো লিখেছেন, ‘বিগ ব্রাদার, দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি তোমার। সাহস নিয়ে লড়াই করে যাও। ’ লিভারপুলের সাবেক সতীর্থ জেমি ক্যারাগার শুভকামনা জানিয়েছেন, ‘আশা করছি, দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরবে হাসপাতাল থেকে। ’ আফ্রিকান নেশনস কাপে সবচেয়ে বেশি আট আসরে খেলার রেকর্ড সংয়ের। আটবারের পাঁচবারই নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যামেরুনকে। এই টুর্নামেন্টে টানা ৩৫ ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তাঁর। শিরোপার স্বাদ পেয়েছেন ২০০০ ও ২০০২ আফ্রিকান নেশনস কাপের। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৩৭ ম্যাচ খেলা এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার অধিনায়কত্ব হারান ২০০৯ সালে। টানা ১০ বছর পর জাতীয় দলের সেরা একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন সেবারই। জাতীয় দল থেকে অবসর নেন পরের বছর।

১৯৯৪ থেকে ২০১০ পর্যন্ত খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপ। ১৭ বছর বয়সে ’৯৪ বিশ্বকাপে খেলে সং গড়েন আবার লজ্জার একটা রেকর্ড। ব্রাজিলের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটিতে দেখেছিলেন লাল কার্ড। ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার টুর্নামেন্টটিতে এর চেয়ে কম বয়সে লাল কার্ড দেখেননি আর কেউ। অবসর নেওয়ার পর জড়িয়েছিলেন কোচিংয়ে। গত বছরই দায়িত্ব নিয়েছেন চাদ প্রজাতন্ত্র জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজারের। এমন বর্ণময় ক্যারিয়ারের রিগোবার্ত সং এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন হাসপাতালে। সবার প্রত্যাশা লড়াইটা তিনিই জিতুন। দ্য টেলিগ্রাফ


মন্তব্য