kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রানপাহাড়ে চাপা অস্ট্রেলিয়া

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সেঞ্চুরিয়নে প্রথম ওয়ানডেতে কুইন্টন ডি ককের তাণ্ডবে অস্ট্রেলিয়াকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহানেসবার্গেও প্রোটিয়াদের রানপাহাড়ে চাপা পড়ে একেবারে চিড়েচ্যাপ্টা হয়েছে স্টিভেন স্মিথের দল।

প্রোটিয়াদের ৩৬১ রানের জবাবে ২১৯ রানে গুটিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। সুবাদে ১৪২ রানের বড় জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ফাফ দু প্লেসিসের দল।

নিউ ওয়ান্ডারার্সে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। ১১ ওভারে প্রথম উইকেটে ৭০ রান যোগ করেন কুইন্টন ডি কক ও রাইলে রসো। আগের ম্যাচে ১৭৮ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলা ডি কককে ফিরিয়ে জুটিটা ভাঙেন জন হ্যাস্টিংস। এরপর মাঠে নেমেই ইনজুরিতে পড়েন ফাফ দু প্লেসিস। মিচেল মার্শের বোলিংয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রান নিতে গিয়ে অ্যারন ফিঞ্চের থ্রোতে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান প্রোটিয়া অধিনায়ক। শঙ্কা দূর করে দ্রুত ব্যাটিংয়ে ফিরে বিধ্বংসী শতরান করেই অবশ্য থেমেছেন তিনি। ৯৩ বলে ১৩টি চারে খেলেছেন ১১১ রানের ঝলমলে ইনিংস। শতরানের পথে দ্বিতীয় উইকেটে রসোকে নিয়ে ৭৬ রান যোগ করার পর জেপি দুমিনির সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে স্বাগতিকদের গড়ে দেন বড় স্কোর। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন মিলে ১১১ বলে যোগ করেছেন ১৫০ রান। ৫৮ বলে ১০টি চার ও ৩ ছক্কায় ৮২ রানের ঝোড়ো ইনিংস দুমিনির।

দশ বছর আগে এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়ার ৪৩৪ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। অমন বীরোচিত কোনো কাব্য কাল রচনা করতে পারেনি স্মিথের দল। কঠিন লক্ষ্যের পিছু ছুটতে নেমে শুরুতে কক্ষচ্যুত অস্ট্রেলিয়া। ৫৫ রানের মধ্যে ফিরে আসেন অ্যারন ফিঞ্চ, অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও জর্জ বেইলি। খানিকটা পরে মিচেল মার্শও আউট হলে কাজটা আরো কঠিন হয়ে পড়ে সফরকারীদের। ম্যাচে আর ফিরতেও পারেনি তারা। ক্রিকইনফো

দক্ষিণ আফ্রিকা : ৫০ ওভারে ৩৬১/৬ ( দু প্লেসিস ১১১, দুমিনি ৮২, রসো ৭৫; হ্যাস্টিংস ৩/৫৭, মার্শ ২/৬৮)।

অস্ট্রেলিয়া : ৩৭.৪ ওভারে ২১৯ (ওয়ার্নার ৫০, হিড ৫১, ওয়েড ৩৩; পারনেল ৩/৪০)। ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪২ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ : ফাফ দু প্লেসিস।


মন্তব্য