kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্ট্রাইকারদের নিয়েই সেইন্টফিটের পরীক্ষা

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



স্ট্রাইকারদের নিয়েই সেইন্টফিটের পরীক্ষা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও বল জালে পাঠানো যায়নি।

ভুটানের মাঠে এই কাজটি কে করবেন—কোচ টম সেইন্টফিট সম্ভাব্য সেই সেরা স্ট্রাইকারটিকে খুঁজে বের করতেই এখন সব রকমের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। ইনজুরিতে আট মাস দলের বাইরে থাকা জাহিদ হাসানও এখন তাঁর কাছে অন্যতম বিকল্প। অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলে দল থেকে বাদ পড়া এনামুল হকের পায়েও তিনি খুঁজছেন নতুন কিছু।

কোচের চাহিদাটা এ মুহূর্তে পরিষ্কার, ‘জীবন (নাবিব), রনি (সাখাওয়াত), সোহেল রানারা গোল পেলে তো এনামুল-এমিলিকে ডাকার প্রয়োজন হতো না। ওরা দুজনই জাতীয় দলে অনেক ম্যাচ খেলেছে এবং নিজেদের প্রমাণও করেছে। স্কোরিং নিয়ে এ মুহূর্তে আমরা সমস্যায় আছি বলেই হাতে যত বিকল্প আছে সেগুলো আমি দেখে নিচ্ছি। সেরা স্ট্রাইকারটিকে খুঁজে বের করাটাই এখন আমার কাজ। ’ আগের ম্যাচে অনেক সুযোগ নষ্ট করা সাখাওয়াত রনি লিগে অবশ্য গোল পেয়েছেন শেখ রাসেলের হয়ে। সেই ম্যাচে খেলা দুই মিডফিল্ডার আব্দুল্লাহ ও জাফর ইকবাল পরশু গোল করেছেন আরামবাগের হয়ে, তার আগে আবাহনীর জার্সিতে গোল পেয়েছেন উইঙ্গার জুয়েল রানাও। কোচের কাছে ‘এটা ইতিবাচক জাতীয় দলের জন্য। ’ জাহিদ হাসান ইনজুরি কাটিয়ে মাত্রই দুই ম্যাচ খেলেছেন শেখ রাসেলের হয়ে, শেখ জামালের হয়ে এনামুলও ঠিক স্ট্রাইকার পজিশনে খেলছেন না। তার পরও কোচ এই দুজনকে বিবেচনায় রেখেছেন তাঁদের সামর্থ্যের কথা চিন্তা করে, ‘এমিলি (জাহিদ) গোল না পেলেও ম্যাচে ফিরেছে, ওদিকে এনামুল মিডফিল্ডে খেললেও ওর গোল করার সামর্থ্য আছে। সামনের অনুশীলন সেশনগুলোতেই আমি ওদের যাচাই-বাছাই করে দেখব। ’ ট্যাকটিক্যাল অনুশীলনেও গোল করা আর করানোর দিকেই মূল ফোকাসটা থাকবে বলে জানিয়েছেন সেইন্টফিট।

আগামী ১০ অক্টোবর থিম্পুতে ম্যাচ, বাংলাদেশ দল ঢাকা ছাড়ছে ৭ অক্টোবর। গত পরশু ১২ জন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করলেও কাল দলের সঙ্গে যোগ হয়েছেন আরো ১৩ জন। চট্টগ্রাম আবাহনীর আট খেলোয়াড়ই এখনো কেবল ক্যাম্পে যোগ দেননি। জাহিদ হাসান ও এনামুলের পাশাপাশি দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার ইয়াসিন খানও। শেখ জামালের হয়ে লিগে দারুণ খেললেও গত জানুয়ারিতে হওয়া বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের পর থেকেই আর দলে নেই ইয়াসিন। ছয় মাস নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ছিলেন এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। তাঁর ফেরায় ডিফেন্স আরো শক্তিশালী হবে বলেই ভাবছেন সেইন্টফিট। দলে অবশ্য নেই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জামাল ভূইয়া। তাঁকে প্রাথমিক দলে না রাখার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্লাব দলে তাঁর অ্যাটাকিং রোলে খেলাটা তিনি ভালোভাবে নেননি, ‘শেখ রাসেলের হয়ে সে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড পজিশনে খেলেনি, সে খেলেছে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে। আর এই পজিশনে আমার হাতে আরো অনেক বিকল্প আছে। ’ জামাল অবশ্য প্রথম লেগেও দলে ছিলেন না জাতীয় দলের হয়ে আগের দুই ম্যাচে দুই হলুদ কার্ড দেখায়। থিম্পুতে ফিরতি লেগে খুব বেশি পরিবর্তন হবে না বলেই জানিয়েছেন সেইন্টফিট, ‘ঢাকার মাঠে আমরা খারাপ খেলিনি, অনেক সুযোগ তৈরি করেছি, শুধু গোলটাই পাওয়া হয়নি। ওই ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো তাই আমি ধরে রাখতে চাই। একাদশটা তাই পুরোপুরি বদলে ফেলব না, দুই-তিনটি পরিবর্তন হতে পারে। ’


মন্তব্য