kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ড্রয়ের পর জয়ের খোঁজে শেখ রাসেল

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ড্রয়ের পর জয়ের খোঁজে শেখ রাসেল

সিলেট থেকে প্রতিনিধি : ১২ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর। মাঝে কেটেছে এক মাসেরও বেশি সময়।

মাঝের দুটি ম্যাচেই হার। প্রায় এক মাস পর পয়েন্টের দেখা পেয়েছে শেখ রাসেল, দুর্ভাগ্যজনকভাবে ম্যাচের শেষদিকে আবাহনীর কাছে গোল না খেলে হয়তো ড্রটা বদলে যেত জয়ে। হারের বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসতে পেরে কিছুটা স্বস্তিতে শেখ রাসেলের কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক। আজ ক্ষয়িষ্ণু শক্তি মোহামেডানের বিপক্ষে তাই পূর্ণ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। সিলেটের পুলিশ লাইন মাঠে অনুশীলনের এক ফাঁকে এমনটাই জানিয়েছেন মৌসুমের মাঝপথে রাসেলের দায়িত্ব নেওয়া মানিক।

অনুশীলন মাঠ নিয়ে আপত্তি সব দলেরই। কোথাও গোড়ালি দেবে যায় কাদায়, কোথাও জোঁকের উপদ্রব তো কোথাও মাঠভর্তি ভাঙা ইটের কুচি। এসবের মধ্যেই খেলোয়াড়দের চোট বাঁচিয়ে কাল অনুশীলন করালেন মানিক। শুরুতে হালকা রানিং, তারপর স্ট্রেচিং শেষে খেলোয়াড়দের দুই দলে ভাগ করে খেলালেন অনুশীলন ম্যাচ। পড়ন্ত বিকেলে ম্যাচ শেষে আলাদা করে হয়েছে সেটপিস অনুশীলন। গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্যও রানিং ও স্ট্রেচিং শেষে অনুশীলন করেছেন স্কোয়াডের আরো দুই গোলরক্ষককে সঙ্গে নিয়ে। প্রস্তুতিতে কোনো কমতি রাখতে চাইছেন না মানিক। জয়ের খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছেন আবাহনীর সঙ্গে, তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের সঙ্গে সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চান না।

দলের দুই বিদেশি পল এমিল ও জাঁ জুলস ইকাঙ্গা। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আইএসএল মাতিয়ে আসা ফিকরুকে। অন্য দলগুলোতে যেখানে চারজন বিদেশি খেলোয়াড় রাখা যায়, সেখানে শেখ রাসেলে দুজন। মানিক বললেন, এখানেই ঘাটতিটা বেড়ে যাচ্ছে, ‘আমরা বিদেশি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পুরোপুরি সার্ভিস পাচ্ছি না। একজন ৭০-৮০ শতাংশ ফিট। তার ওপর আমাদের বিদেশি খেলোয়াড়ও কম। ’ এখনো জয়ের অপেক্ষায় থাকা শেখ রাসেলের কোচ হিসেবে তাঁর ওপর কোনো চাপ আছে কি না—এমন প্রশ্নে মানিক জানালেন, ‘আমি মৌসুমের মাঝপথে সব জেনেশুনেই শেখ রাসেলের দায়িত্ব নিয়েছি। আমি জানি এই অবস্থা থেকে শিরোপার কথা বলাটা অবান্তরই হবে, তবে দল এখন যেখানে আছে সেখান থেকে আরো ভালো করার সামর্থ্য খেলোয়াড়দের আছে। আশা করছি লিগের দ্বিতীয় লেগের যে ১১টি খেলা আছে, সেসব ম্যাচে আমরা অনেক ভালো করব। ’

আবাহনীর সঙ্গে ড্র করার পর মানিক বলেছিলেন পুণ্যভূমি সিলেটের মাটি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। সাফল্যের প্রত্যাশায় কাল হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.) মাজারও জিয়ারত করেছেন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও ম্যানেজমেন্ট, সবারই আশা দলের সাফল্য। সেটাই মিলছে না একটা বিন্দুতে এসে। মাঠের প্রচেষ্টার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক সহায়তাও তাই খুঁজছে শেখ রাসেল। সবারই আশা, পুণ্যভূমি সিলেটের মাটি থেকে জয় নিয়ে ফিরবে শেখ রাসেল।


মন্তব্য