kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

সিলেটের একটা দল যদি থাকত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সিলেট পর্বে কাল মুখোমুখি হয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনী ও ফেনী সকার। ডাগ আউটে বসে থেকে সেটাই দেখলেন তকলিস আহমেদ। সিলেটের এ ফরোয়ার্ড খেলেন চট্টগ্রাম আবাহনীতে, চোটের কারণে এখনো মাঠে নামা হয়নি তাঁর। নিজের শহরে দর্শক হয়ে থাকার কষ্টটা ভাগাভাগি করলেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সিলেটের একটা দল যদি থাকত

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : সিলেটের ছেলে আপনি। এই প্রথমবারের মতো সিলেটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা হচ্ছে অথচ আপনি মাঠের বাইরে।

এ অনুভূতি কতটা কষ্টের?

তকলিস আহমেদ : সিলেটের মাঠে খেলা। পরিবার, আত্মীয়স্বজন সবাই খুব আশা করেছিল। তাদের চেয়ে আমার কষ্টটা আরো বেশি। এমনিতেই দর্শক হয়ে দলকে খেলতে দেখলে খারাপ লাগে। তার ওপর সেটা যদি হয় নিজের শহরের মাঠে, তখন কষ্টটা খুব বেশি লাগে।

প্রশ্ন : সিলেটের ছেলে হয়ে খেলছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে। কখনো মনে হয়নি যে সিলেট থেকে একটা দল হলে আরো ভালো হতো?

তকলিস : এ কথাটা আমাদের নিজেদের মধ্যে যখন আলাপ হয় তখনই বলি। মামুনুল ভাই চট্টগ্রামের ছেলে, চট্টগ্রাম আবাহনীর নেতৃত্বে আছে। চট্টগ্রামে আমরা দেখেছি স্থানীয় দর্শকরা কিভাবে তাদের সমর্থন দিয়েছে। ফেনী সকারও আছে প্রিমিয়ার লিগে। এভাবে সিলেটের একটা দল যদি থাকত আর আমরা কয়েকজন খেলতে পারতাম তাহলে আরো বাড়তি উদ্দীপনা পেতাম। স্থানীয় মানুষ আরো বেশি আগ্রহ নিয়ে খেলা দেখতে আসত। বড় একটা দলে খেলছি, আগেও খেলেছি শেখ জামালের মতো দলে। কিন্তু নিজের এলাকার দল হলে অন্য রকম একটা ভালোলাগা কাজ করত।

প্রশ্ন : চোট পাওয়ার পর অস্ত্রোপচার হয়েছে আপনার। এখন কী অবস্থা?

তকলিস : এখন দলের সঙ্গে আছি, ফিজিওর সঙ্গে পুনর্বাসন নিয়ে কাজ করছি। কঠোর পরিশ্রম করছি অনেক। জিম, সাইক্লিং সব করছি। আশা করছি লিগের দ্বিতীয় পর্বে মাঠে ফিরতে পারব।

প্রশ্ন : জাতীয় দলে ফের সুযোগ পাওয়ার তাগিদটা কেমন?

তকলিস : জাতীয় দলই হোক আর ক্লাব পর্যায়েই হোক, আমি সব সময়ই লড়াই করতে পছন্দ করি। ক্লাব পর্যায়ে আমি যদি ভালো করতে পারি, তাহলে অবশ্যই জাতীয় দলে ফিরতে পারব। ক্লাব পর্যায়ে আমার পজিশনে অন্য যারা খেলছে, কেউই আমার চেয়ে খুব একটা ভালো না। হয়তো উনিশ আর বিশের পার্থক্য। ফিট হতে পারলে অবশ্যই জাতীয় দলে ফিরব।

প্রশ্ন : সব সময় জাতীয় দলের ফরোয়ার্ডরা গোল পাচ্ছেন না কেন?

তকলিস : এবারের লিগে খেয়াল করে দেখবেন বিদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কিন্তু স্থানীয় ফরোয়ার্ডরাও গোল করছে। কারণ সামনে একজন বিদেশির সঙ্গে স্থানীয় একজন ফরোয়ার্ডকেও রাখছে ক্লাবগুলো। তবে আমরা যতই ভালো খেলি বা গোল করি, ক্লাবের একটা ভরসা কিন্তু থাকেই বিদেশিদের ওপর।


মন্তব্য