kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নতুন উচ্চতায় তামিম-সাকিব

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নতুন উচ্চতায় তামিম-সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দুজনের সামনেই ছিল মাইলফলক স্পর্শের হাতছানি। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ৯ হাজার রানের উপলক্ষ তামিম ইকবালের।

সাকিব আল হাসানের সুযোগ ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারে আবদুর রাজ্জাককে ছাড়িয়ে যাওয়ার। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে হতাশ করেননি কেউ। ৮০ রানের ইনিংস খেলার পথে রানের শিখরের আরেক চূড়ায় ওঠেন বাঁহাতি ওপেনার। আর দুই শিকারে পূর্বসূরিকে টপকে যান বাঁহাতি স্পিনার।

বাংলাদেশের জার্সিতে রানের অনেক রেকর্ডই তামিমের। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি সব ফরম্যাটে তাঁর দেশের সবচেয়ে বেশি রান। সাকল্যের সেই রান কালকের আগ পর্যন্ত ছিল ৮৯৮৫। নতুন আরেক চূড়া স্পর্শের জন্য ১৫ রান প্রয়োজন ছিল তাই। আফগানদের বিপক্ষে ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ফ্লিক করে চার মেরে সে প্রয়োজন মেটান তামিম। তবে সেখানেই থেমে যাননি তিনি। পঞ্চাশ পেরিয়ে ছিলেন শতকের পথে। কিন্তু ৮০ রান করে লং অফে ক্যাচ দিয়ে হন আউট। ততক্ষণে অবশ্য বাংলাদেশের ইনিংস পেয়ে যায় বড় স্কোরের ভিত্তি।

কালকের ৮০ রানের ইনিংসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিমের রান গিয়ে দাঁড়ায় ৯০৬৫। এ জন্য তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ২৪৮ ম্যাচের ২৮৫ ইনিংস লাগে তাঁর। ঠিক পেছনেই সাকিব। ২৫৪ ম্যাচের ২৮২ ইনিংসে ব্যাট নিয়ে ক্রিজে যান তিনি। তাতে কালকের ৪৮সহ মোট রান ৮৩৭২। ফিফটি সংখ্যা দুজনেরই সমান ৫৫। তবে সেঞ্চুরিতে অলরাউন্ডারের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে ওপেনার। তামিমের ১৪ শতরানের চেয়ে সাকিবের যে পাঁচ সেঞ্চুরি কম!

এখানে সতীর্থের চেয়ে খানিকটা পিছিয়ে থাকলেও উইকেট শিকারে উঠে যান শিখরে। জাতীয় দলে তাঁর দীর্ঘদিনের সতীর্থ রাজ্জাক এত দিন ছিলেন সিংহাসনে। ১৫৩ ওয়ানডেতে ২০৭ উইকেট নিয়ে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাকিব সিরিজ শুরু করেন এক উইকেট পেছনে থেকে। এরপর রাজ্জাককে ছুঁয়ে ফেলতে মোটেই সময় নেননি। ইনিংসে তাঁর প্রথম ওভারেই উইকেট। এরপর ১৪৪ রানের জুটি গড়ে আফগানিস্তান যখন জয়ের পথে, তখন আবার ওই বাঁহাতি স্পিনারের ব্রেক থ্রু। আউট করেন রহমত শাহকে। এই দুই শিকারে ১৫৮ ওয়ানডেতে ২০৭ উইকেট হয়ে যায় সাকিবের।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ২০০ উইকেটের মাইলফলকে দুই বাঁহাতি স্পিনার ছাড়া রয়েছেন আরো একজন। মাশরাফি বিন মর্তুজা। কাল ১৫৯তম ওয়ানডে খেলতে নামেন তিনি। টস করতে নামার সময় নামের পাশে ২০৩ উইকেট। আফগান ইনিংসের প্রথম উইকেট নিয়ে সংখ্যাটি ২০৪-এ নিয়ে যান তিনি। পরে নিজের শেষ ওভারে আরো এক শিকারে বাংলাদেশ অধিনায়কের হয়ে যায় ২০৫ উইকেট। বন্ধু রাজ্জাককে ছাড়িয়ে যাওয়াটা এখন মাশরাফির জন্য কেবল সময়ের ব্যাপার।


মন্তব্য