kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজই হবে

কদিন পরই বাংলাদেশ সফরে আসছে ইংল্যান্ড দল। খেলাটা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হলেই মনে পড়বে নাফিস ইকবালকে। একসময়ের বাংলাদেশ দলের এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরির পর ইংলিশ বোলিং অ্যাটাককে ‘অর্ডিনারি’ বলে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ দলের অনুশীলন দেখতে আসা নাফিসের সেই স্মৃতিচারণ করলেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজই হবে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : শুনলাম আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) জেমকন খুলনা ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যানেজার হতে যাচ্ছেন আপনি?

নাফিস ইকবাল : ঠিকই শুনেছেন। আসলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খুব একটা অভ্যস্ত হতে পারিনি।

আমাদের সময়ে টি-টোয়েন্টির এত প্রচলন ছিল না। আমিও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেই মনোযোগী হতে চাই। তাই টি-টোয়েন্টি খেলছি না। তবে চেয়েছি কোনো একটা ভাবে খেলার সঙ্গে, আয়োজনটার সঙ্গে থাকতে। তাই ম্যানেজার হলাম।

প্রশ্ন : তাহলে তো ২৫ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এনসিএলে খেলছেন?

নাফিস : প্রথম দুটি ম্যাচে আসলে খেলা হচ্ছে না। আমার চোখে ইনফেকশন হয়েছে। ডাক্তার বলেছে রোদ, ধুলোবালি এসব থেকে দূরে থাকতে। তাই বেশ কিছুদিন খেলতে পারছি না।

প্রশ্ন : ইংল্যান্ড দল আসছে বাংলাদেশে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ হলেই আপনার সেই শতরান আর ইংলিশ বোলিংকে অর্ডিনারি বলার প্রসঙ্গ চলে আসে! তা এবারের ইংল্যান্ড দলকে কেমন দেখছেন?

নাফিস : আমরা যখন খেলেছি, তখনও ইংল্যান্ড আমাদের চেয়ে অনেক ওপরের সারির দল ছিল, এখনো আছে। তবে বাংলাদেশও গত বেশ কিছু সময়ে অনেক এগিয়েছে। আশা করছি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজই হবে।

প্রশ্ন : ২০০৫ সালের ইংল্যান্ড সফরের দলে ছিলেন আপনি, যে সিরিজে খেলেছিলেন গ্যারেথ ব্যাটি। এত দিন পর আবার সেই ইংলিশ স্পিনার ডাক পেলেন দলে, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের জন্যই! সেই সময়ের দলের মাশরাফি বিন মর্তুজা বাদে কেউই ঠিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর নেই। ব্যপারটা কেমন লাগছে আপনার?

নাফিস : ব্যাটির জন্য শুভকামনা। নিশ্চয়ই এর মধ্যে সে এমন কিছু করেছে কাউন্টি বা ওদের ঘরোয়া ক্রিকেটে, যাতে করে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচকরা তাকে যোগ্য মনে করেছে। সবাই তো যোগ্যতার গুণেই দলে আসে। মাইক হাসির যদি ৩৩ বছর বয়সে অভিষেক হতে পারে, তাহলে ব্যাটিকে তো আরেকটা সুযোগ দেওয়াই যেতে পারে।

প্রশ্ন : বলছিলেন বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড দলের পার্থক্যটা নিয়ে। বাংলাদেশ যেমন উন্নতি করেছে, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটও তো থেমে থাকেনি। তবু এখন কি বলা যায় ফারাকটা আগের চেয়ে অনেক কম?

নাফিস : আমি যে বছর ইংল্যান্ডে খেলি, ওরা কিন্তু সেই বছর অ্যাশেজ জিতেছিল। ইংল্যান্ড এবার দেশে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হারলেও ওয়ানডেতে জিতেছে, দুবাইতেও পাকিস্তানের সঙ্গে জিতেছে। তাই ইংল্যান্ডের শক্তি কমেছে এটা বলব না, তবে আমাদের সামর্থ্য বাড়ছে। আমাদের পারফরম্যান্সের গ্রাফটা ওপরের দিকে উঠছে।


মন্তব্য