kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তবু আশাবাদী সেইন্টফিট

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



তবু আশাবাদী সেইন্টফিট

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ফুটবল দল নিয়ে চারদিকে হতাশা। দেশের মাঠে যারা ভুটানের জালে বল পাঠাতে পারেনি তারা ১০ অক্টোবর থিম্পুতে গিয়ে গোল দিয়ে দলকে জেতাবে, এমন বিলাসী স্বপ্ন দেখার লোক এখন দেশে নেই বললেই চলে।

আছেন কেবল বিদেশি টম সেইন্টফিট। ফুটবল কোচ তো লাগে ম্যাচ জেতানোর জন্যই। জাতীয় দলের এই বেলজিয়ান কোচের নতুন আশার ঘরবসতি হেমন্ত-সাখাওয়াতের দুই গোল। লিগে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে একটি করে গোল করেছেন। সেই দুটি দেখে কোচেরও যেন মনের ভুল ভেঙেছে যে গোল করার লোকও আছে!

গোল করা দেখে কোচ যেন নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছেন, ‘আমি খুব খুশি হেমন্ত ও রনির (সাখাওয়াত হোসেন) গোল দেখে। এটা খুব ইতিবাচক জাতীয় দলের জন্য। তাদের সামনে এখনো দুটি রাউন্ড আছে, তারা নিশ্চয়ই আরো গোল করবে। অন্য স্ট্রাইকারদের পায়েও গোল দেখব আশা করি। ’ হেমন্ত ভিনসেন্ট ভুটান ম্যাচের স্কোয়াডে থাকলেও একাদশে জায়গা পাননি। ক্লাব একাদশে নিয়মিত নন বলেই তাঁকে সেইন্টফিট জায়গা দেননি। সেই হেমন্ত গত পরশু মোহামেডানের বিপক্ষে উদ্বোধনী গোল করেছেন। শুধু গোলে নয়, আবাহনীর এই ফরোয়ার্ডকে জাতীয় দলের কোচের ভালো লেগেছে সামগ্রিক পারফরম্যান্সে, ‘গত ম্যাচে হেমন্তর পারফরম্যান্সে আমি খুশি। শুধু গোল করার জন্য নয়, তার দৌড়ঝাঁপ করে খেলা এবং ভালো পাসিংয়ের কারণে তাকে ভালো লেগেছে। তবে নিয়মিত খেলতে হবে তাকে। ’ আর ইনজুরি ফেরত সাখাওয়াত হোসেন গোল পেয়েছেন ব্রাদার্সের বিপক্ষে। তাঁর দল শেখ রাসেলের দুর্দশা না কাটলেও গত ম্যাচে এই স্ট্রাইকার প্রথম গোল পেয়েছেন। এই গোলে হয়তো স্বস্তি ফিরেছে সাখাওয়াতের মনে আর সুবাদে কোচ মেলাচ্ছেন ভুটান ম্যাচের গোলের অঙ্ক। এই বাংলাদেশ ফুটবল দল এমন ‘বন্ধ্যা’ গোলের ভরসা রাখার মতো একজন ফুটবলারও নেই! তাই এ দুজনের পায়ে গোল দেখে সেইন্টফিট যেন মহা পুলকিত।

কোচ সঙ্গে যোগ করেছেন মেহবুব হাসান নয়নের খেলা। চার গোল করে স্থানীয়দের মধ্যে রহমতগঞ্জের এই মিডফিল্ডার এগিয়ে। ‘আমাদের এখন কী আছে, সেটা দেখতে হবে। রুবেল মিয়া এখন জাতীয় দলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সে দৌড়াতে পারে, জায়গা তৈরি করতে পারে। তেমনি জাফর ইকবাল, ইব্রাহিম, জুয়েল রানাও একইভাবে খেলে। আমাদের উইঙ্গার নিয়ে কোনো সমস্যা নেই’, উইং নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন না সেইন্টফিট।

কোচের ভয় অন্যখানে, ‘ভুটানের মতো উঁচু জায়গায় খেলাটা খুব কঠিন হবে আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য। আমি অনেক আগে যেতে চাই ভুটানে, বৈজ্ঞানিকভাবে এরকম উঁচুতে গিয়ে খেলোয়াড়দের মানিয়ে নিতে আট দিন সময় লাগবে কিন্তু আমরা যাচ্ছি ৭ অক্টোবর। ’ তবু তিনি আশাবাদী, ‘ম্যাচ জেতার ব্যাপারে ৭৫ ভাগ আশাবাদী। ’


মন্তব্য