kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

এটি আমার জন্য নতুন শুরু

অনেক দিন পর জাতীয় দলে ডাক পেলেন শফিউল ইসলাম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের দলে সুযোগ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত এই পেসার। পাশাপাশি কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে জানান আস্থার প্রতিদান দেওয়ার প্রতিজ্ঞাও

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এটি আমার জন্য নতুন শুরু

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা কি অপ্রত্যাশিত?

শফিউল ইসলাম : ঠিক অপ্রত্যাশিত বলব না। আমি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি।

আশায় ছিলাম, নির্বাচকরা কবে আমায় ডাকেন। সে আশা পূরণ হয়েছে।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বশেষ ম্যাচের কথা মনে আছে?

শফিউল : হ্যাঁ। এই শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। বোলিংয়ের সময় দ্বিতীয় কি তৃতীয় ওভারে ইনজুরিতে পড়ে যাই। এরপর আর বোলিং করতে পারিনি। এরপর ২০১৫ বিশ্বকাপে আল-আমিন হোসেনের বদলি হিসেবে গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো ম্যাচ খেলা হয়নি। বছর দুয়েক আগে ইনজুরি নিয়ে বেরিয়ে যাওয়াই তাই বাংলাদেশের জার্সিতে শেষ খেলা।

প্রশ্ন : এবার সুযোগ পাওয়াটা কি নতুন শুরু মনে হচ্ছে?

শফিউল : অবশ্যই। আগে ব্যাপার ছিল এক রকম। এখন অন্য রকম। জাতীয় দলে পেসারদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েছে অনেক। আর আমিও আগের চেয়ে অভিজ্ঞ হয়েছি। আশা করি, সুযোগ পেলে পারফর্ম করতে পারব। পারফর্ম করতে না পারলে জায়গা ধরে রাখতে পারব না। সব মিলিয়ে জাতীয় দলে আবার ডাক পাওয়া আমার জন্য নতুন শুরু।

প্রশ্ন : আফগানিস্তানের মতো তুলনামূলক ছোট দলের বিপক্ষে সেই ‘নতুন শুরু’ করাটা নিশ্চয়ই সহজ?

শফিউল : আমার তা মনে হয় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব দল কঠিন। ওয়ানডে-টি টোয়েন্টিতে আফগানিস্তান কিন্তু ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে। আরেকটি ব্যাপার হলো, ভালো বল করলে তা সব ব্যাটসম্যানের জন্যই ভালো বল। খারাপ বল করলেও তাই। আমি আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে খারাপ বোলিং করলে ওরাও চার-ছক্কা মারবে। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব বড় দলের বিপক্ষেই তো খেলেছি আমি। সে কারণে এসব নিয়ে ভাবছি না।

প্রশ্ন : নতুন বোলিং কোচ হিসেবে কোর্টনি ওয়ালশ এসেছেন। তাঁর সঙ্গে কাজ করে কেমন লাগছে?

শফিউল : উনি কিংবদন্তি বোলার। অনেক বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলেছেন। শত শত উইকেট পেয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে শেখার আছে অনেক কিছু। ওয়ালশের সঙ্গে অল্প কয়েক দিন মাত্র কাজ করলাম তো। এরই মধ্যে উনি অনেক কিছু ধরিয়ে দিচ্ছেন। কিভাবে অ্যাকশন আরো ভালো করা যায়, কিভাবে উইকেটটেকিং বল করতে হয়—এমন অনেক টিপস দিচ্ছেন। সেগুলোর প্রয়োগ মাঠে করতে পারলে ভালো ফল পাব।

প্রশ্ন : আপনার ওপর ওয়ালশের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার ব্যাপার থাকবে?

শফিউল : শুধু ওয়ালশ না, টিম ম্যানেজমেন্ট, নির্বাচক যাঁরা আমাকে দলে ডেকেছেন—সবার আস্থার প্রতিদার দিতে চাইব। আমার জন্য আফগানিস্তান সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ভালো করতে না পারলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তো সুযোগ পাব না।


মন্তব্য