kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অবসর না নিলে বাদ পড়তেন শচীন!

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



অবসর না নিলে বাদ পড়তেন শচীন!

শচীন টেন্ডুলকার স্বেচ্ছায় অবসর নিচ্ছেন নাকি তাঁকে বাধ্য করা হচ্ছে—এ নিয়ে জোরালো গুঞ্জন ছিল একটা সময়। এই সময়ে এসে তখনকার প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাতিল জানাচ্ছেন, গুঞ্জনটা মোটেও ভিত্তিহীন ছিল না।

অবসর না নিলে টেন্ডুলকারকে বরং দল থেকে বাদ দেওয়া হতো—এমন মন্তব্য করেছেন তিনি অকপটে।

‘২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর আমরা শচীনের সঙ্গে দেখা করে ওর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাই। শচীন জানায় অবসর নিয়ে সে ভাবছে না। কিন্তু আমরা নির্বাচকরা তাঁর ব্যাপারে একমত হয়ে গিয়েছিলাম... সেটা বোর্ডকেও জানাই। হয়তো-বা শচীনও এটা বুঝতে পেরেছিল, যে কারণে অবসরের ঘোষণাটা দিয়ে দেয় (ওয়ানডে থেকে)। ও যদি এটা নাও করত আমরা অবশ্যই দল থেকে ওকে বাদ দিতাম। ’ একটি মারাঠি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন সন্দীপ পাতিল। ২০১৩ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান টেন্ডুলকার। প্রধান নির্বাচকের মতে আগের এক বছর ধরে তারই প্রক্রিয়া চলছিল, ‘২০১২ সালে নাগপুরে আমরা ওর ইচ্ছাটা জানতে চাইছিলাম। সে যেহেতু টেস্টেই বেশি মনোযোগ দেওয়ার কথা ভাবছিল, তাই এক দিনের ক্রিকেট থেকে ও অবসর নিয়ে নেবে—এমনই সিদ্ধান্ত হয়। ’ ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জেতা সাবেক ভারতীয় এই ক্রিকেটার নির্বাচক থাকা অবস্থায় মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন, পরে একটা পর্যায়ে সেই ভাবনা থেকে তিনি সরে আসেন বলে জানিয়েছেন, ‘বেশ কয়েকবারই আমরা এ নিয়ে আলোচনা করেছি। তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে নতুন কাউকে দায়িত্ব দিলে কেমন হয়, সেটা ভাবা হচ্ছিল। পরে অবশ্য বিশ্বকাপের (২০১৫) কথা মাথায় রেখেই তা আর করা হয়নি। অল্প সময়ে নতুন কারো মানিয়ে নেওয়াটা কঠিন হবে বলেই মনে হচ্ছিল আমাদের। ’ টিএনএন


মন্তব্য