kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নিষিদ্ধ ড্রাগ নিয়েছেন নাদাল-মো ফারাহ!

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গোপন নথি ফাঁস করে বিশ্বব্যাপী ঝড় তুলেছিল উইকিলিকস। ক্রীড়াঙ্গনে সেই ভূমিকায় এখন ‘ফ্যান্সি বিয়ারস’।

বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থার (ওয়াডা) ডাটাবেইস হ্যাক করেছে রাশিয়ার এ হ্যাকার গ্রুপ। সেখান থেকে একের পর এক গোপন তথ্য ফাঁস করে চলেছে তারা। সেরেনা উইলিয়ামস, ভেনাস উইলিয়ামস, সিমোন বাইলস, ব্র্যাডলি উইগিনসের মতো তারকাদের নিষিদ্ধ ড্রাগ নেওয়ার খবর ফাঁস করেছিল আগেই। গত পরশু জানাল আরো ২৬ খেলোয়াড়ের নাম। সেই তালিকায় আছে ১৪ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী রাফায়েল নাদাল, টানা দুই অলিম্পিকে ‘ডাবল ডাবল’ করা মো. ফারাহ, রোয়িংয়ে দুইবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হেলেন গ্রোভার, রিও অলিম্পিক গলফে সোনাজয়ী জাস্টিন রোজের নামও। খোদ ওয়াডার অনুমতি নিয়ে নিষিদ্ধ ড্রাগ নিয়েছিলেন তাঁরা।

তালিকায় নিজের নাম আসায় অবশ্য বিস্মিত নন নাদাল বা মো. ফারাহ। কেননা ওয়াডাকে জানিয়েই চিকিৎসার জন্য নিষিদ্ধ ওষুধ নিয়েছিলেন তাঁরা। এ প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ‘থেরাপিউটিক ইউজ এক্সেমসন’ বা টিইউই। চিকিৎসার প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে এ ধরনের ওষুধ নেওয়া খেলোয়াড়দের নাম সংরক্ষণ করে থাকে ওয়াডা। সেটাই ফাঁস করে চলেছে ফ্যান্সি বিয়ারস। নাদালকে দুইবার নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার করতে দিয়েছিল ওয়াডা। ২০০৯ সালে হাঁটুর টেনডনাইটিসে উইম্বলডন ও ডেভিস কাপে খেলা হয়নি নাদালের। এর চিকিৎসায় ওয়াডা স্প্যানিয়ার্ড এ কিংবদন্তিকে অনুমতি দেয় নিষিদ্ধ বেটামেথাজোন নেওয়ার। এরপর ২০১২ সালে হাঁটুর চোটে নাম প্রত্যাহার করেছিলেন লন্ডন অলিম্পিক ও ইউএস ওপেন থেকে। সে সময় নাদাল নিয়েছিলেন নিষিদ্ধ আরেক ড্রাগ কর্টিকোট্রপিন।

একইভাবে দুইবার নিষিদ্ধ ওষুধ নেওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন লন্ডন ও রিও অলিম্পিকে পাঁচ আর দশ হাজার মিটার দৌড়ে সোনাজয়ী ব্রিটিশ অ্যাথলেট মো. ফারাহ। ২০০৮ সালে তিনি নিয়েছিলেন কর্টিকোস্টেরয়েড। আর ২০১৪ সালে অনুশীলনে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পর অনুমতি পেয়েছিলেন তিন ধরনের নিষিদ্ধ ওষুধ নেওয়ার। তাঁর এক মুখপাত্র জানালেন, ‘মো. ফারার চিকিৎসার পুরোটা হয় ব্রিটিশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে। ’ এএফপি


মন্তব্য