kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিভ্রান্তি মুছে দিলেন ডি ভিলিয়ার্স

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



 স্কুপ, হুক, পুল, কাট এমনকি ক্রিজে শুয়েও ছক্কা মেরেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স! কিভাবে সম্ভব এত সব শট খেলা। গবেষণা করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে রহস্যে ঘেরা সব তথ্য।

শৈশবে নাকি সব ধরনের খেলায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই কিংবদন্তি। খেলেছেন রাগবি, ফুটবল, হকি, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার। শুধু খেলার জন্য খেলা নয়, আলো ছড়িয়েছেন একেবারে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত। একজন খেলোয়াড় একসঙ্গে এত কিছু করতে পারেন কিভাবে? এবি ডি ভিলিয়ার্স বলেই হয়তো সম্ভব।

রহস্যের সেই দেয়ালটা ভাঙলেন ওয়ানডের দ্রুততম এই সেঞ্চুরিয়ান। নিজের আত্মজীবনী ‘এবি : দ্য অটোবায়োগ্রাফি’তে সরাসরিই জানালেন তাঁকে ঘিরে প্রচারিত কথাগুলোর সবই কল্পিত গল্পগাথা। বাস্তবে এতগুলো খেলায় সম্পৃক্ত ছিলেন না কোনোভাবে। একেকটা খেলা ধরে জানিয়েছেন আসল সত্যিটা।

ব্যাডমিন্টন : ডি ভিলিয়ার্স দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়ন।

ডি ভিলিয়ার্স : আমার স্মৃতি ঠিক থাকলে বলতে পারি স্কুলে কখনো ব্যাডমিন্টন খেলিনি। পুরো জীবনে একটাই ব্যাডমিন্টন ম্যাচ খেলেছি, তাও সেটা মজা করে দক্ষিণ আফ্রিকান সাবেক উইকেটরক্ষক মার্ক বাউচারের সঙ্গে।

হকি : ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান যুব হকি দলের সংক্ষিপ্ত তালিকায়।

ডি ভিলিয়ার্স : স্কুলে এক বছর হকি খেলেছি। কিন্তু কখনো জাতীয় দলের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলাম না, এর ধারেকাছেও যেতে পারিনি কোনোদিন।

রাগবি : ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা রাগবি যুব দলের অধিনায়ক।

ডি ভিলিয়ার্স : জাতীয় দলের কোনো পর্যায়ে রাগবি খেলিনি। নেতৃত্ব দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।

সাঁতার : স্কুল সাঁতারে ছয়টি জাতীয় রেকর্ড।

ডি ভিলিয়ার্স : প্রাথমিক স্কুলে অনূর্ধ্ব-৯ বছর বয়সীদের  ব্রেস্টস্ট্রোকে একটা রেকর্ড ছিল। তবে জাতীয় স্কুল পর্যায়ে কোনো রেকর্ড নেই আমার।

টেনিস : ডেভিস কাপ খেলেছেন জাতীয় যুব দলের হয়ে।

ডি ভিলিয়ার্স : টেনিস খেলতাম ভালোবেসে। আমার বয়সীদের টেনিসে মাঝে মাঝে সেরাও হতাম।

ফুটবল : জাতীয় যুব ফুটবল দলের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন।

ডি ভিলিয়ার্স : স্কুলের বিরতিতে ফুটবলে লাথি মারা বলতে যা বোঝায় সেটা করেছি। দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেট দলের অনুশীলনে যেমন ফুটবল খেলি আর কি। কোনো টুর্নামেন্ট তো নয়ই কখনো কোনো পরিপাটি ফুটবল ম্যাচ খেলিনি আমি।

ক্রিজে বোলারদের যেমন ছক্কা মারেন অবলীলায় তেমনিই অকপটে কলম হাতে উড়িয়ে দিয়েছেন তাঁকে ঘিরে প্রচারিত গল্পগুলো। জানিয়েছেন মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে কঠিন বোলারের নামও। তিনি নিজ দলের ডেল স্টেইন বা প্রতিপক্ষ মিচেল স্টার্ক, শেন বন্ড নন; একেবারেই অপরিচিত জেরিট ডিয়েস্ট, ‘সবচেয়ে অস্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছি জেরিট ডিয়েস্টের বলে। আমার বয়স তখন ১১ আর তাঁর ২২। ক্লাব ক্রিকেটের টেপ-টেনিস বলে সে সময় তাঁকে খেলাটা মনে হতো পৃথিবীর কঠিনতম কাজ। ’ এপি


মন্তব্য