kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

জয়টা খেলোয়াড়দের জন্যই খুব জরুরি

২০ বছরের দুর্দান্ত ফুটবল ক্যারিয়ার তাঁর। ’৯৯ সাফ গেমসে বহু কাঙ্ক্ষিত সোনাজয়ী দলের সদস্য তিনি। এরপর ২০০৩ সালে এই রজনী কান্ত বর্মণের নেতৃত্বে সাফ ফুটবল জেতে বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে বর্ণাঢ্য ফুটবল ক্যারিয়ারে ইতি টেনে এই ডিফেন্ডারের নতুন ক্যারিয়ার শুরু হচ্ছে আজ শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের ট্রেনার পরিচয়ে। তার আগে কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন নিজের অতীত ও হালের চ্যালেঞ্জের কথা

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



জয়টা খেলোয়াড়দের জন্যই খুব জরুরি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : শেখ রাসেল-ব্রাদার্স ম্যাচ দিয়ে আপনার নতুন ক্যারিয়ার শুরু হচ্ছে।

 

রজনী কান্ত বর্মণ : অনেক দিন ফুটবল খেলেছি, এখন আর অন্য কিছুতে মন বসে না।

অন্য কোনো কাজ করতে ভালোও লাগে না। তা ছাড়া মানিক ভাইও কোচিংয়ের দিকে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। ট্রেনার হিসেবেই আমার শুরু হচ্ছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রে। আস্তে আস্তে এএফসির কোচিং লাইসেন্স কোর্সগুলো করে ফেলব চিন্তা করেছি।

 

প্রশ্ন : এই ক্লাবেই তো শেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন।

রজনী : হ্যাঁ। ২০১৪ সালে শেখ রাসেলের হয়ে খেলেছি সর্বশেষ। যে ক্লাবে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করেছি সেখান থেকে শুরু করতে যাচ্ছি নতুন ক্যারিয়ার, এটা ভালো লাগছে। তবে এমন টেনশনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে, এটা ভাবিনি।

প্রশ্ন : শেখ রাসেল লিগে এখনো জয়ের মুখে দেখেনি, এই টেনশনের কথা বলছেন আপনি?

রজনী : খেলোয়াড়ি জীবনে ছিল অন্য রকম চাপ। নিজের খেলার দিকেই থাকত বেশি মনোযোগ। এখন পুরো দলের চাপ, যে দলটা হারের মধ্যে ছিল, প্রচণ্ড হতাশায় কাটিয়েছে সেই দল নিয়ে ম্যাচ জেতার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। এটা অনেক বড় টেনশন।  

প্রশ্ন : আপনার খেলোয়াড়ি জীবনে কি এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল?

রজনী : প্রথম ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে হেরেছে কোনো বড় দল, এরকম কোনো রেকর্ডও নেই বোধহয়। হঠাৎ ছোট দলের কাছে হেরেছি, তাতেই দলে তোলপাড় হয়ে যেত। রাসেলের যে দল সেটা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতোই। এতগুলো ভালো খেলোয়াড়, সবার পারফরম্যান্স সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। কোনো ম্যাচে আপসেট হতে পারে কিন্তু এভাবে হারবে, এটা কোনো যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না।

প্রশ্ন : এখন কী অবস্থা দলের?

রজনী : আমরা চেষ্টা করেছি দলটাকে অনুপ্রাণিত করতে। ছয়-সাতজনের ইনজুরিটা বড় সমস্যা হয়ে উঠেছিল, সেটা অনেকখানি কেটে গেছে। এখন খেলোয়াড়দেরই মাঠে খেলে প্রমাণ করতে হবে, তারা ভালো খেলে। এই ক্লাবের কর্মকর্তারাও অনেক ভালো, এত বাজে হারের পরও খেলোয়াড়দের কেউ কটু কথা বলেনি। আবাহনী, মোহামেডানে এটা কল্পনাও করা যায় না। কর্মকর্তাদের কৈফিয়ত দিতে হয়।

প্রশ্ন : ব্রাদার্সের বিপক্ষে কেমন খেলবে শেখ রাসেল?

প্রশ্ন : আশা করি, আগের চেয়ে ভালো ফুটবল খেলবে। জেতা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই, জয়টা খেলোয়াড়দের জন্যই খুব জরুরি। এই ম্যাচটা জিতলে দলের সামগ্রিক চেহারা হুট করে পাল্টে যাবে।


মন্তব্য