kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাংলাদেশকে সমীহ মঈন আলীর

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশকে সমীহ মঈন আলীর

ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দল ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে মাশরাফিদের কাছে। বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে হেরেছে ইংল্যান্ডও।

বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে তাই সমীহ করছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী। মাশরাফি, সাকিব, তামিমরা যে ইংল্যান্ডকেও চমকে দিতে পারে ভালোই জানা তাঁর। বাংলাদেশকে তাই সমীহ করছেন ৩০ টেস্ট ও ৪৩ ওয়ানডে খেলা মঈন, ‘বাংলাদেশকে নিয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন আমরা। অস্ট্রেলিয়াতে ওরা হারিয়েছে আমাদের। আমরা জানি ওরা ভালো খেলতে পারে। তবে বিশ্বকাপের পর আমরাও একেবারে বদলে যাওয়া দল এখন। ’

নিজেদের দেশে পাকিস্তানকে দুমড়ে-মুচড়ে ৪-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে ইংল্যান্ড। গড়েছে ওয়ানডের সর্বোচ্চ ইনিংসের বিশ্ব রেকর্ড। ২০১৭ সালে নিজেদের দেশে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দাবিদারও ভাবা হচ্ছে তাদের। তবে বাংলাদেশ আর ভারত সফরের পরই নিজেদের অবস্থানটা বুঝতে পারার কথা জানালেন মঈন, ‘ভারত আর বাংলাদেশের দুটি সফরই কঠিন হতে যাচ্ছে। আমরা দল হিসেবে কোন জায়গায় আছি বোঝা যাবে এই দুটি সফরের পর। ’ স্পিনিং অলরাউন্ডার হিসেবে বাড়তি দায়িত্বটা থাকছে ২৯ বছর বয়সী মঈনের কাঁধে। উপমহাদেশের ধীর গতির ঘূর্ণি উইকেটে তাঁর অফস্পিন আর ব্যাটিং দুটিই কাজে লাগবে ইংল্যান্ডের। যদিও উপমহাদেশে এখনো টেস্ট খেলা হয়নি মঈনের। তাই বলে কন্ডিশনটা অপরিচিতও নয়। ২০১৪ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টি খেলে গেছেন বাংলাদেশে। ঘরোয়া ক্রিকেটেও খেলেছেন। ওয়ানডে খেলেছেন শ্রীলঙ্কায়। আছে আরব আমিরাতে পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতাও। এ জন্যই আত্মবিশ্বাসী মঈন, ‘আমার খেলার ধরনের সঙ্গে বাংলাদেশ আর ভারতের কন্ডিশনটা আদর্শ বলে মনে করি। জানি একটা পর্যায়ে বড় ভূমিকা নিয়ে খেলতে হবে। আশা করছি বাড়তি দায়িত্বটা পালন করে দলকে সিরিজ জেতাতে পারব। ’

টেস্টে ৭৭ আর ওয়ানডেতে ৪২ উইকেট নিয়েছেন মঈন। টেস্টে আছে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৮ উইকেটও। ওয়ানডের ৪.৯৮ ইকোনমি রেটটা সমীহ জাগানিয়া। উপমহাদেশের কন্ডিশনে মঈনের ওপর ইংল্যান্ডের বাড়তি প্রত্যাশা এ কারণেই। এটাকে চাপ হিসেবে দেখছেন না তিনি, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটাই চাপের। উপমহাদেশে স্পিনাররা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। আমার কাছ থেকেও দল বাড়তি কিছু চাইবে, তার পরও বাড়তি কোনো চাপে নেই আমি। ’ দলের প্রয়োজনে কখনো ওপেনিং তো কখনো ব্যাট করেছেন ৮ নম্বরে। টেস্টে তাঁর তিন সেঞ্চুরির প্রতিটি এসেছে ৭ নম্বরে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে বার্মিংহামে ৮৬ আর ওভাল টেস্টে করেছিলেন ১০৮। এ জন্য বাংলাদেশ সফরে ব্যাটিং অর্ডারে উঠে আসতে পারেন ওপরের দিকে। মঈন অবশ্য দলের স্বার্থে ব্যাট করতে প্রস্তুত যেকোনো পজিশনে, ‘আমি নিশ্চিত কোচ, নির্বাচক আর অধিনায়ক ভাবছেন আমার ওপরের দিকে ব্যাট করা নিয়ে। নিজেকে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানই ভাবি। তার পরও দলের জন্য ব্যাট করতে প্রস্তুত যেকোনো জায়গায়। ’ ডেইলি মেইল


মন্তব্য