kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এমএসএনের গোল উৎসব

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এমএসএনের গোল উৎসব

ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন লুই এনরিকে। ১০ মৌসুম পর লা লিগায় ফেরা অ্যালাভেসকে হেলাফেলা করে প্রায় দ্বিতীয় সারির দল নামিয়ে গত শনিবার যে ভুলটা তিনি করেছিলেন, তার মাসুল দিয়েছেন ২-১ গোলের হারে।

সেই জ্বালা জুড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে সেল্টিকের জালে ৭ গোল দিলেও ঝালটা বোধহয় পুরোপুরি মেটেনি। তাই তো প্রথমবারের মতো লা লিগায় খেলা লেগানেসের বিপক্ষেও কোনো ঝুঁকি নেননি বার্সেলোনার কোচ। লিগে প্রথমবারের মতো দেখা গেল মেসি-নেইমার-সুয়ারেসের ‘এমএসএন’ ত্রিফলা। তাতে ‘শসাচাষি’রা কাটা পড়ল কচি শসার মতোই! লেগানেসকে ৫-১ গোলে হারিয়ে লা লিগায় জয়ের ধারায় ফিরেছে কাতালানরা; জোড়া গোল মেসির, সঙ্গে একটি করে গোল নেইমার, সুয়ারেস ও রাফিনহার। গোল উৎসব করেছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদও! আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান ও ফার্নান্দো তোরেসের জোড়া লক্ষ্যভেদের সঙ্গে গেমেইরোর গোল তাদের ৫-০ গোলের বড় জয় এনে দিয়েছে স্পোর্তিং গিজনের বিপক্ষে। বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনখি ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইনগোলস্টাডটকে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ৬ গোল দিয়েছে ডার্মস্টাডটের জালে। শুক্রবার রাতে কায়েনের জালেও গোল উৎসব করেছে প্যারিস সেন্ত জার্মেইও। এদিনসন কাভানির ৪ গোলসহ তারা প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে ছয়বার!

মাদ্রিদের বুতার্ক স্টেডিয়ামে এটাই বার্সেলোনার প্রথম ভ্রমণ। ছোট স্টেডিয়ামে প্রায় ১১ হাজার দর্শকের জায়গা হয়। মাঠে মেসিদের দেখতে তাতেই তিলঠাঁই নেই! ম্যাচের ১৫ মিনিটেই মেসির পা থেকে আসা গোলে বার্সার এগিয়ে যাওয়া। সুয়ারেসের অ্যাসিস্টে বক্সের মাঝামাঝি থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন মেসি। ৩১তম মিনিটে সুয়ারেস গোল করেন মেসির অ্যাসিস্ট থেকে। ৪৪ মিনিটে নেইমারের গোলের উৎস সুয়ারেসের অ্যাসিস্ট। এভাবেই এমএসএনের রসায়নে জমাট বার্সেলোনার সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি লেগানেস।

৫৫ মিনিটে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান মেসি, পেনাল্টি বক্সে নেইমারকে ফাউল করার দায়ে রেফারি পেনাল্টি দেন লেগানেসের বিরুদ্ধে। স্পটকিক থেকে গোল করেন মেসি, মিনিট দশেক পর বক্সের বাইরে থেকে রাফিনহার নেওয়া শটে ব্যবধান হয় ৫-০। ৮০ মিনিটে সান্ত্বনার গোল পায় লেগানেস, ফ্রিকিক থেকে গোল করে ব্যবধান কমান গ্যাব্রিয়েল।

জয়ের পর বার্সা কোচ এনরিকে জানালেন ‘শুরুটা ভালো ছিল। আমরা যদি হেলেদুলে শুরু করতাম তাহলে আমাদের হয়তো অনেক সংগ্রাম করতে হতো। তারা অনেক ওপরে উঠে খেলে আমাদের অস্বস্তিতে ফেললেও তাতে করে আমরা অনেক জায়গা পেয়েছিলাম। ’

পিএসজি থেকে ইব্রাহিমোভিচ চলে এলেও ধার কমেনি প্যারিসের ক্লাবের! কাভানির এক হালি গোলের সঙ্গে লুকাস মউরা ও অগাস্টিনের লক্ষ্যভেদে পিএসজি জিতেছে ৬-০ গোলে। গোল ডটকম


মন্তব্য