kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার মিশনে এমএসএন

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার মিশনে এমএসএন

মৌসুমে এই প্রথমবার বার্সেলোনার প্রথম একাদশে ত্রিরত্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগে সেল্টিকের বিপক্ষে সে খেলায় দলের জয় ৭-০ ব্যবধানে, যার মধ্যে ছয় গোলই লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেস ও নেইমারের।

বলার জন্য বড্ড তাড়াতাড়ি, তবে প্রথম ম্যাচ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে অনেক অনেক গোলের। গত মৌসুমে নিজেদের ১৩১ গোলের রেকর্ড ভেঙে ফেলার।

বার্সেলোনা চলতি মৌসুম শুরু করে নেইমার ছাড়া। ব্রাজিলের হয়ে অলিম্পিক খেলছিলেন তিনি। ফেরত আসার পর সর্বশেষ লা লিগার ম্যাচে অ্যালাভেসের বিপক্ষে নামেন প্রথম একাদশে। মেসি-সুয়ারেস আবার সে ম্যাচে ছিলেন সাইড বেঞ্চে। পরে মাঠে নামলেও দলের হার ঠেকাতে পারেননি। সেল্টিকের বিপক্ষে ত্রয়ী ফেরেন একাদশে। আর্জেন্টাইনের হ্যাটট্রিক, উরুগুইয়ানের জোড়া গোল ও ব্রাজিলিয়ানের এক লক্ষ্যভেদে দল পায় বিশাল জয়। তিনজনের মিলিত গোল হয় ৬। আর মৌসুম হিসাব করলে ১৩। মেসি-সুয়ারেস ছয়টি করে, নেইমার এক। তিনজনের মিলিয়ে ম্যাচ সংখ্যা ধরলে তা হবে ১৩। তাতেই ১৩ গোল। এত দুর্দান্ত শুরু কোনো মৌসুমে হয়নি ‘এমএসএন’-এর।

লাতিন আমেরিকার ত্রয়ীর বার্সেলোনায় একসঙ্গে এটি তৃতীয় মৌসুম। প্রথমবার ত্রিমুকুট জয়ের পথে তাঁরা করেন ১২২ গোল। সেখানে মেসির ৫৮, নেইমারের ৩৯ ও সুয়ারেসের ২৫ গোল। তিনজনের ম্যাচ সংখ্যার যোগফল ছিল ১৫১। গতবারও ম্যাচসংখ্যা তাই, গোলসংখ্যা বেড়ে হয় ১৩১। এবার সুয়ারেসের ৫৯, মেসির ৪১ ও নেইমার ৩১। চ্যাম্পিয়নস লিগে না পারলেও দল জেতে লা লিগা ও কোপা দেল রে শিরোপা।

এবার সাফল্য প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে আগের গোলসংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়ার। নেইমার তা মুখ ফুটে বলেছেনও, ‘সাফল্যের রহস্য হচ্ছে, প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া। আমি সব কিছুতে নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে চাই। প্রতি ম্যাচে, প্রতি ট্রেনিং সেশনে। জানি না তিনজন মিলে এবার কত গোল করতে পারব। আশা করছি, গত মৌসুমের ১৩১ গোলকে এবার আমরা পেছনে ফেলতে পারব। ’ বার্সেলোনা যে তাহলে আরো অনেক শিরোপা জিতবে, এর পক্ষে বাজি ধরাই যায়। গোল ডটকম


মন্তব্য