kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ব্রডের শততম টেস্ট বাংলাদেশে

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ব্রডের শততম টেস্ট বাংলাদেশে

১০০ টেস্ট! সব ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন সেই চূড়ায় পা রাখা। সেটা পূরণ হলে উপলক্ষটা স্মরণীয় করতে থাকে নানা আয়োজন।

কিন্তু স্টুয়ার্ট ব্রডের ভাগ্য দেখুন। পরিবার থেকে আগেই বলে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সফরে শততম টেস্ট খেললে আসবেন না কেউ! তাঁকেও বোঝানো হয়েছে, কী দরকার বাংলাদেশে আসার? পরিবারের চাপে দোটানায় থাকা ইংলিশ এই পেসার শেষ পর্যন্ত শুনলেন মনের কথাটা। ক্রিকেটের স্বার্থেই আসতে চান বাংলাদেশে আর শততম টেস্টটা খেলবেন চট্টগ্রামে, ‘বাংলাদেশে যাব কি না এ নিয়ে দোটানায় ছিলাম। এখন মনে হচ্ছে বাংলাদেশে যাওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত। ইসিবিকে জানিয়ে দিয়েছি বাংলাদেশে যেতে প্রস্তুত আমি। ’

২০০৭ সালে কলম্বোতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক স্টুয়ার্ট ব্রডের। ৯৮ টেস্টে ২৮.৫২ গড়ে নিয়েছেন ৩৫৮ উইকেট। ১ সেঞ্চুরিসহ করেছেন ২৬২৪ রানও। তাঁকে বাংলাদেশ সফরে পেতে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল কাউন্টি থেকে। এই ছুটিতে হৃদয় আর পরিবারের সঙ্গে লড়াই করে নিয়েছেন বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত, ‘জুলাইয়ে ঢাকায় হামলার পর থেকে আমাদের মাথায় ঘুরছে নিরাপত্তার ব্যাপারটা। কেউই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারটা হালকাভাবে নেয়নি, কারণ নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর ভারতে যাওয়ার আগেও এভাবে আলোচনা করতে হয়েছিল আমাদের। ’ বাংলাদেশের বিপক্ষে এর অগে দুটি টেস্ট খেলেছেন ব্রড। তাতে পেয়েছিলেন ৬ উইকেট। এ ছাড়া ৬ ওয়ানডেতে শিকার ৮ উইকেট। এ দেশে আগে আসার অভিজ্ঞতা থেকে জানালেন, ‘পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না হওয়াটা দুঃখজনক। বাংলাদেশেও এ রকম কিছু হলে ভীষণ খারাপ লাগবে। বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেটঅন্তপ্রাণ আর অতিথিপরায়ণ। এই ভেবে ভালো লাগছে যে শেষ পর্যন্ত সফরটা হচ্ছে। ’

ওয়ানডে অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক অনেক আগে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশে আসার কথা। তাঁর সঙ্গে একে একে যোগ হয়েছেন মঈন আলী, ক্রিস জর্ডানসহ আরো অনেকে। তবে ওয়ানডে অধিনায়ক এউইন মরগান ও অ্যালেক্স হেলস নেতিবাচক ছিলেন শুরু থেকে। ব্রডের পরিবারের লোকেরা বাধা দিলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসতে চাওয়ার কারণ নিয়ে জানালেন, ‘শুধু ক্রিকেট খেলার জন্য নিজেকে বিপদের মধ্যে না ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন আমার অনেক আত্মীয় আর বন্ধু। তবে আমি মনে করি পৃথিবীটা এখন বদলে গেছে। নিরাপত্তার ঝুঁকি এখন বিশ্বের প্রতিটি দেশে। তা ছাড়া আমাদের নিরাপত্তা দলের প্রধান রেগ ডিকাসনের ওপর আস্থা রাখছি। তিনি কখনো আমাদের বিপদের মুখে ফেলেননি। বাংলাদেশের নিরাপত্তাব্যবস্থায় সন্তুষ্ট হয়েই সবাইকে যেতে বলেছেন তিনি। ’ ডেইলি মেইল


মন্তব্য