kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়ে গেইলের জীবন উপভোগ

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ক্রিস গেইল মানেই বিনোদন। মাঠের মতো মাঠের বাইরেও।

বিনোদনের সেই ফেরিওয়ালা চলে গিয়েছিলেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। ২০০৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় হৃদপিণ্ডে ছিদ্র ধরা পড়ে তাঁর। খবরটা জানাননি কাউকে। এমনকি অস্ত্রোপচার পর্যন্ত মা-বাবাকেও না। গেইলের কাছে এটা ‘মৃত্যুকে ফাঁকি’ দেওয়া। এরপর বেঁচে থাকার গুরুত্বটা বুঝতে পেরে জীবনকে আরো ভালোভাবে উপভোগ করতে শুরু করেন গেইল। দিল্লিতে নিজের আত্মজীবনী ‘সিক্স মেশিন’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে জীবনের অজানা এ অধ্যায়টি জানালেন তিনি, ‘এ খবর জানে না কেউ। মা-বাবাকেও জানিয়েছিলাম অস্ত্রোপচারের পর। সেই সময় ফাঁকি দিলাম মৃত্যুকে। জীবনের গুরুত্ব কতটা, বুঝেছিলাম তখনই। ঠিক করে নিই জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করব। সেটা করে চলেছি এখনো। ’

কিছুদিন আগে কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন গেইল। এর পর থেকে আরো পরিণত হয়েছেন বলে মনে করছেন তিনি, ‘একেবারে আলাদা এই অনুভূতি। আগের চেয়ে অনেক পরিণত আমি। গর্ব করে বলতে পারি, ফুটফুটে একটা মেয়ে আছে আমার। ’ আত্মজীবনীর নাম ‘সিক্স মেশিন’ কেন? গেইলের ব্যাখ্যা, ‘সব ফরম্যাট মিলিয়ে ৭০০টির বেশি ছক্কা মেরেছি। মানুষও ছক্কা দেখতে চায়। ভারতীয় দর্শকরা তো ছক্কা ছাড়া খুশি হয় না আর কিছুতে। এ জন্যই রাখলাম নামটা। ’ আত্মজীবনী প্রকাশ অনুষ্ঠানে ছিলেন ভারতীয় সাবেক ওপেনার বীরেন্দর শেবাগ ও বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুর। শেবাগও জানালেন দুজনের ছক্কাপ্রীতিটা, ‘গেইলের সঙ্গে আড্ডায় কথা বলতাম ছক্কা মারা নিয়ে। বোলারদের ধ্বংস করার কৌশল উদ্ভাবন করতাম, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের। ’

২০১৪ সালের পর থেকে টেস্ট খেলছেন না গেইল। ক্যারিবিয়ান বোর্ডের সঙ্গেও চলছে ঝামেলা। তাহলে কি টেস্টের আশা ছেড়ে দিলেন এই ক্যারিবিয়ান? তিনি জানালেন, ‘বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক আর টেস্ট দলের বাইরে থাকাটা এক নয়। আসলে চোটের জন্যই খেলতে পারছি না টেস্ট। বাংলাদেশের সঙ্গে ২০১৪ সালে সর্বশেষ টেস্ট খেলার কথা মনে আছে। এরপর পিঠের ব্যথার জন্য সরিয়ে রেখেছি নিজেকে। টেস্ট যদি আর খেলতে না পারি, তাহলে ঠিক আছে। কী আর করতে পারি। ’ পিটিআই


মন্তব্য