kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মরিনহোকে আবার হারালেন গার্দিওলা

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



মরিনহোকে আবার হারালেন গার্দিওলা

মাঠের চেয়ে টাচলাইন নিয়ে কৌতূহল কম ছিল না। কী করবেন পেপ গার্দিওলা-হোসে মরিনহো? বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদের বৈরিতার ঝাঁজ কি ম্যানচেস্টার-ডার্বিতে নিয়ে আসবেন তাঁরা?

কিন্তু কাল ইংলিশ লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচের আগে তো ঠিকই হাত মেলান দুজন।

ম্যাচের পরও। টাচলাইনে পরিবর্তনের সুরটা তাই স্পষ্ট। কিন্তু মাঠের ফুটবলে সেই পুরনোই প্রতিফলন। দুই কোচের আগের ১৬ বারের মুখোমুখিতে গার্দিওলার ছিল ৮ জয়, মরিনহোর মোটে তিন। কাল আরো একবার স্প্যানিয়ার্ড প্রতিপক্ষের কাছে হার মানতে হয় পর্তুগিজ কোচকে। আর ম্যানইউয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ে লিগে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখে ম্যানসিটি।

মরিনহো-গার্দিওলা দুজনই ম্যানচেস্টারের দুই ক্লাবে আসেন এ মৌসুমে। লিগের প্রথম তিন ম্যাচে জয় ইউনাইটেড-সিটির। কালকের ম্যাচ ওল্ড ট্রাফোর্ডে ছিল বলে লাল সাম্রাজ্যের সম্ভাবনার পাল্লা ছিল কিছুটা হলেও ভারী। তার ওপর বহিষ্কারাদেশের কারণে নীল সৈনিক সের্হিয়ো আগুয়েরো অনুপস্থিত। কিন্তু রেফারির বাঁশি বাজতেই যে ম্যানইউয়ের ওপর একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ে ম্যানসিটি!

প্রথম গোল পেয়ে যায় ১৫তম মিনিটে। লম্বা এক বলে হেড করেন আগুয়েরোর বদলি হিসেবে নামা কেলেচি ইহেনাচো। দ্রুতগতিতে তা দালি ব্লিন্দের সামনে থেকে ছোঁ মেরে নিয়ে যান কেফিন দে ব্রুইন। খুলে যায় গোলমুখ, ঠাণ্ডা মাথায় দাভিদ দে গেয়ার পাশ দিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে। ৩৬তম মিনিটে ‘সিটিজেন’দের দ্বিতীয় গোলও এই যুগলবন্দিতে। এবার দে ব্রুইনের শট পোস্টে লেগে ফেরত আসার পর ইহেনাচোর গোল। এর আগে-পরেও দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে গার্দিওলার দল।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ‘লাইফলাইন’ পায় ম্যানইউ। অভিষিক্ত সিটি গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভোর ভুলে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের ভলিতে এক গোল ফিরিয়ে দেন তাঁরা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে হেনরিক মিখিতারিয়ান ও জেসি লিনগার্ডের বদলে মার্কাস রাশফোর্ড ও আন্দের হেরেরাকে নামান মরিনহো। ম্যানসিটির আধিপত্যে রাশ টেনে ম্যাচে ফেরে ম্যানইউ। কিন্তু গোল আর পায়নি। একবার রাশফোর্ডের শট ইব্রার পায়ে লেগে জালে ঢুকলেই বাতিল হয়ে যায় অফসাইডে। সঙ্গে ব্রাভোর কিছু শিশুতোষ ভুলে আরো কয়েকবার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু গোলের ততটা কাছাকাছি যেতে পারেনি, যতটা যায় ম্যানসিটি। এবার দে ব্রুইনের শট প্রতিহত পোস্টে। শেষ পর্যন্ত ম্যানইউয়ের মাঠে গিয়ে তাদের ২-১ গোলে হারিয়েই ম্যাচ শেষ করে গার্দিওলার দল।

ম্যাচ শেষে ‘রেড ডেভিল’ কোচ হতাশ তাঁর খেলোয়াড়দের ওপর। তবে দায়টা নিজের ওপরও নেন তিনি, ‘দু-তিনজন খেলোয়াড় আমাকে হতাশ করেছে। ওরা এমন খেলবে জানলে ওদের খেলাতাম না। কিন্তু দল নির্বাচন তো করেছি আমি। সে কারণে দোষটা আমারই। ’ ওদিকে ম্যানসিটি কোচ গার্দিওলা আবার তাঁর গোলরক্ষক ব্রাভোকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে রাজি নন, ‘আমার সেরা অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলেছে ও। ’ এএফপি


মন্তব্য