kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

এসএ গেমসের ব্রোঞ্জ জয় সবচেয়ে স্মরণীয়

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এসএ গেমসের ব্রোঞ্জ জয় সবচেয়ে স্মরণীয়

পটুয়াখালীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় টেবিল টেনিসে এককের শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করেছেন মাহবুব বিল্লাহ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তাঁর অনেক অর্জন আছে, তার পরও এটা একটু ভিন্ন স্বাদের।

প্রথমবারের মতো খেলেছে সেনাবাহিনী আর সেই দলের কোচ কাম খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নেওয়া এই কৃতী খেলোয়াড় মুখোমুখি হয়েছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অভিনন্দন। ছয় বছর পর আবার জাতীয় টিটির শিরোপা জিতেছেন।

মাহবুব বিল্লাহ : ধন্যবাদ। অনেকে মনে করেছিল মাহবুবকে দিয়ে আর হবে না, তাই একটু সিরিয়াস হয়ে খেলে দেখলাম হয় কিনা (হাসতে হাসতে)। এটাও ঠিক, আমার আগ্রহে খানিকটা ভাটা পড়েছিল। গতবার জাতীয় টেবিল টেনিসে খেলিনি, তার আগেরবার মাঝপথে সরিয়ে নিয়েছিলাম নিজেকে। এবার সেনাবাহিনীর হয়ে ভালো প্র্যাকটিস করেছি এবং খেলায়ও খুব মনোযোগী ছিলাম।

প্রশ্ন : সেনাবাহিনীতে কবে যোগ দিয়েছেন?

মাহবুব : প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনী টেবিল টেনিসের দল গড়েছে। গত জুলাই থেকে আমি চুক্তিভিত্তিক চাকরিতে যোগ দিয়েছি সেনাবাহিনীতে, কোচ কাম খেলোয়াড় হিসেবে। প্রথমবার দল গড়েই সেনাবাহিনী ৫টি সোনা ও ২টি রুপা জিতে জাতীয় টিটির চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তারা টিটিতে আগ্রহী হওয়ায় আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য খুব ভালো হয়েছে।

প্রশ্ন : মানসকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ফাইনাল কেমন উপভোগ করেছেন?

মাহবুব : ভালো খেলোয়াড়কে হারিয়ে যেকোনো কিছু জেতার মজা আলাদা। টিটিতে মানস এখন এক নম্বর খেলোয়াড়, অন্যান্য সবার চেয়ে তার মান অনেক এগিয়ে। স্বাভাবিকভাবে তাকে হারাতে গেলে সেই পরিমাণ প্রস্তুতি লাগে, মনঃসংযোগ লাগে। আমি খুব উপভোগ করেছি তার সঙ্গে ফাইনালটা।

প্রশ্ন : ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে নিশ্চয় এমন অর্জন অনেক আছে।

মাহবুব : জাতীয় টিটিতে ছয়বার এককে শিরোপা বাদে আর কিছু সেভাবে মনে নেই আমার। জাতীয় ও লিগে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অন্তত ৩০ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আরো পাঁচ বছর খেলার ইচ্ছা আছে।

প্রশ্ন : এত লম্বা ক্যারিয়ারে কোন জয়টা সবচেয়ে স্মরণীয়?

মাহবুব : অবশ্যই ২০১০ এসএ গেমসে এককে ব্রোঞ্জ জয়। আমার আগে কেবল রচি ভাই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ’৯৫ সাফ গেমসে। ভারতসহ অন্যরা এত এগিয়ে যাচ্ছে বলে দক্ষিণ এশীয় গেমসে পদক জেতা খুব কঠিন। যেকোনো ক্যাটাগরিতে ধরে নেওয়া যায় ভারতীয়রাই ফাইনাল খেলবে, সুতরাং সোনা ও রুপা ভারতের। বাকি থাকে ব্রোঞ্জ পদক, তার জন্য বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান লড়াই করে।

প্রশ্ন : প্রতিবেশী ভারত ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে আর আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই!

মাহবুব : ভারতের সঙ্গে তুলনা করে লাভ নেই। আমাদের টিটি চলে অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে। ফেডারেশনের কোচ আনার মতোও সংগতি থাকে না। আর আমাদের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলা হয় কালেভদ্রে।


মন্তব্য