kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

জার্মানিতে ক্যাম্প করাটা বড় ব্যাপার

চারজন জার্মান কোচিং স্টাফ নিয়োগ দিয়ে জাতীয় দল নিয়ে উদ্যমে কাজ শুরু করেছে হকি ফেডারেশন। জার্মানিতে রাসেল, মামুনুরদের লিগ খেলা দিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু, এএইচএফ কাপের আগে সেখানে তাঁরা এক মাসের ক্যাম্পও করবে। কোচিং স্টাফের একমাত্র স্থানীয় সদস্য মাহবুব হারুন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন এ প্রসঙ্গে

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



জার্মানিতে ক্যাম্প করাটা বড় ব্যাপার

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আবার জার্মানিতে যাচ্ছেন খেলোয়াড়রা, তাঁদের এ সুযোগটাকে কিভাবে দেখছেন?

 

মাহবুব হারুন : এটা তো অবশ্যই ভালো। খেলার সুযোগের চেয়ে ওখানে যে এক মাস ক্যাম্প করবে ওরা, সেটাই হলো সবচেয়ে ভালো ব্যাপার।

ক্লাবে খেলে ওদের আর্থিক উপকার হবে, এরপর জার্মানিতে এক মাস ক্যাম্পে কাজ হবে আমাদের জাতীয় দল নিয়ে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার ওখানে অনুশীলন ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কমপক্ষে ছয়টি ম্যাচ খেলবে জাতীয় দল, এমন সুযোগ সচরাচর হয় না।

 

প্রশ্ন : কোচিং স্টাফে আপনার দায়িত্বটা কী থাকছে?

হারুন : আমি থাকব স্থানীয় কোচ হিসেবে। মূল কোচ তো অলিভার, উপদেষ্টা পিটার গেরহার্ড। আমি থাকব ওদের সাহায্য করার জন্য। বিদেশি কোচ দায়িত্ব নিলে দলে একজন স্থানীয় কোচও প্রয়োজন হয়। অনেক কিছু বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপার থাকে, খেলোয়াড়রা যেটা বিদেশিদের কাছ থেকে সরাসরি নিতে পারে না। সেই কাজটাই আমি করব। আমি নিজেও জার্মানি যাচ্ছি, তবে এখনই না। ওরা তো এখন বিভিন্ন ক্লাবে লিগ খেলছে, ওদের খেলা শেষ হলে মাসখানেক পর ওদের ক্যাম্প শুরুর সময় যাব। ওখানে এক মাস ক্যাম্প করে ঢাকায় ফিরে তারপর জাতীয় দল হংকং যাবে এএইচএফ কাপ খেলতে।

প্রশ্ন : এশিয়া কাপের প্রস্তুতিতে থাকা অনূর্ধ্ব-১৮ দলের খেলোয়াড়দেরও তো সুযোগ হচ্ছে ক্যাম্পে?

হারুন : হ্যাঁ, এই দলের সাতজন আছে যারা ক্যাম্পে যোগ দেবে। এই খেলোয়াড়রা জুনিয়র হলেও এর মধ্যে জাতীয় দলেও খেলেছে। সেই হিসেবেই ওরা জার্মানিতে যাচ্ছে। ঢাকায় এশিয়া কাপ খেলেই ওরা রওনা হবে। ওখানে গিয়ে দু-একজন হয়তো কোনো ক্লাবে খেলবেও, এর পরই ওরা ক্যাম্পে যোগ দেবে অক্টোবরের মাঝামাঝি নাগাদ। জিমি, চয়নরা তো আগেই জার্মানিতে গেছে, কিন্তু ওদের জন্য এটা প্রথম সুযোগ।

প্রশ্ন : এএইচএফ কাপে বরাবরই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছে, তার জন্য এত কিছুর নিশ্চয় প্রয়োজন হয় না...

হারুন : হ্যাঁ, এএফসি কাপে আমরা ফেভারিট। তার পরও হকিতে দায়িত্ব নেওয়া নতুন কর্মকর্তারা নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন এটা ইতিবাচক, ভবিষ্যতে তা জাতীয় দলেরই কাজে দেবে।

প্রশ্ন : সব মিলিয়ে তাঁদের পরিকল্পনা কেমন মনে হচ্ছে?

হারুন : আমার কাছে তো ভালোই লাগছে, উৎসাহব্যঞ্জক। এএইচএফ কাপের পর যখন আরো বড় টুর্নামেন্টে আমাদের খেলতে হবে তখনো যেন এই ধারাবাহিকতা আমাদের থাকে।


মন্তব্য