kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাগে-দুঃখে মামুনুল ওয়ালী অবসরে

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



রাগে-দুঃখে মামুনুল ওয়ালী অবসরে

মনে হয়েছিল ভুটান ম্যাচে অবশ্যই থাকব। কিন্তু কোচ বাদ দিয়ে দিলেন। এতে অপমানিত বোধ করছি। তাই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভুটান ম্যাচের দলে জায়গা না পেয়ে তাঁরা বেজায় ক্ষুব্ধ। মামুনুল-ওয়ালী-নাসিররা কোনোভাবেই নিজেদের জাতীয় দলের বাইরে কল্পনা করতে পারছেন না।

রাগে-ক্ষোভে মামুনুল ইসলাম ও ওয়ালী ফয়সাল জাতীয় দল থেকে অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন!

গতকাল ঘোষিত ২৩ সদস্যের বাংলাদেশ স্কোয়াডে নেই মামনুল ইসলাম। দল ঘোষণার আগের দিনও মাঠের প্র্যাকটিসে তাঁর স্বচ্ছন্দ উপস্থিতি ছিল। একবারও ভাবেননি নতুন কোচের কোপের মুখে পড়বেন। ‘মনে হয়েছিল ভুটান ম্যাচে অবশ্যই থাকব। এই দলের আমি অধিনায়কও। কিন্তু আমার সঙ্গে কথা না বলেই কোচ বাদ দিয়ে দিলেন। এতে অপমানিত বোধ করছি। তাই জাতীয় দল থেকে অবসরে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি’—রাগে ক্ষোভে বলেছেন দেশের কৃতী এই মিডফিল্ডার। ২০০৭ সালে জাতীয় দলে অভিষিক্ত মামুনুলের ক্ষোভ, ‘ইচ্ছা ছিল মাঠে খেলেই বিদায় জানাব। এত দিন জাতীয় দলকে সার্ভিস দেওয়ার পরও এই সুযোগটা দিল না আমাকে। ’ তাঁকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত যে হুট করে নেওয়া, এটা বোঝা গেছে নতুন অধিনায়ক নির্বাচনে। আশরাফুল রানাকে বুঝিয়ে-সুজিয়ে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক করা হয়েছে আজকের ম্যাচের জন্য। ডিফেন্ডার ওয়ালী ফয়সালেরও এভাবে বাদ পড়া পছন্দ হয়নি। ২০০৫ সাল থেকে জাতীয় দলে খেলা এই লেফট ব্যাক বলেছেন, ‘কোচ যেভাবে বাদ দিয়েছে সেটা আমাদের জন্য অপমানজনক। তার আগে কোচ অন্তত কথা বলতে পারতেন। তাই জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ’ তবে দুজনই গতকাল পর্যন্ত অবসরের কোনো চিঠি দেননি বাফুফের কাছে।

তাঁদের বিদায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন সেইন্টফিট। জাতীয় দলের কোচ বলেছেন, ‘এটার কোনো প্রভাব পড়বে না জাতীয় দলের ওপর। ১৬ কোটি মানুষের দেশে একেক জনের একেক ধরনের সমস্যা। ব্যক্তির চেয়ে দল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ’


মন্তব্য