kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জয়ের চূড়ায় ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



জয়ের চূড়ায় ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’

কালো স্কার্টের নিচে গোলাপি আভা। দুহাতে ‘ফ্লুরোসেন্ট স্লিভ’ বা কালো হাতা।

গত পরশু তৃতীয় রাউন্ডে কালোর বদলে পরলেন গোলাপি আভার সাদা স্কার্ট। এবার দুহাতে লাল ফ্লুরোসেন্ট স্লিভ। নারী সুপারহিরো ‘ওয়ান্ডার ওম্যানে’ অনুপ্রাণিত হয়ে এমন বেশ সেরেনা উইলিয়ামসের। তাঁর যা কীর্তি তাতে কল্পনার রাজ্যের নয়, সেরেনা এখন বাস্তবেরই ওয়ান্ডার ওম্যান। গত পরশু তৃতীয় রাউন্ডে জোয়ানা লারসনকে হারিয়ে পেয়েছেন গ্র্যান্ড স্লাম ক্যারিয়ারের ৩০৭তম জয়, যা মেয়েদের এককে সর্বোচ্চ। সেরেনার রেকর্ড গড়ার রাতে চতুর্থ রাউন্ডে নাম লিখিয়েছেন ভেনাস উইলিয়ামস, আগ্নিয়েস্কা রাদওয়ানস্কা, অ্যান্ডি মারে, স্তান ওয়ারিঙ্কারাও। চোট পেয়ে ‘অবসর’ নেওয়ায় ভালো খেলেও চতুর্থ রাউন্ডের আগে ছিটকে গেছেন র্যাংকিংয়ে ১৪ নম্বরে থাকা অস্ট্রেলিয়ান নিক কিরগিয়োস।

দ্বিতীয় রাউন্ডে জিতে সেরেনা উইলিয়ামস পাশে বসেছিলেন মার্টিনা নাভ্রাতিলোভার। মেয়েদের গ্র্যান্ড স্লাম এককে দুজনের জয় তখন সমান ৩০৬টি। পরশু জোয়ানা লারসনকে মাত্র ৫৯ মিনিটে ৬-২, ৬-১ গেমে হারিয়ে ছাড়িয়ে গেলেন নাভ্রাতিলোভাকেও। ছেলে, মেয়ে মিলিয়ে গ্র্যান্ড স্লামে সবচেয়ে বেশি ৩০৭ জয় নিয়ে চূড়ায় থাকা রজার ফেদেরারের পাশে এখন সেরেনা। তবে থেমে থাকতে চান না এখানেই, ‘আমি রোমাঞ্চিত। ছেলে, মেয়ে মিলিয়ে এমন একটা রেকর্ড করতে পারা বিরল ব্যাপার। ৩০৭ জয়ের এই সংখ্যাটা আরো বাড়িয়ে নিতে চাই আমি। ’

সেরেনার বড় বোন ভেনাস উইলিয়ামসও সরাসরি সেটে হারিয়েছেন লরা সিয়েগেমুন্দকে। তবে জোর বাঁচা বেঁচেছেন র্যাংকিংয়ে ৫ নম্বরে থাকা সিমোনা হালেপ। প্রথম দুই সেটে সমতায় শেষ হওয়ার পর তৃতীয় সেটে তিয়েমে বাবোসের কাছে পিছিয়ে যান ১-৩ গেমে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হালেপ চতুর্থ রাউন্ডে নাম লেখান ৬-১, ২-৬, ৬-৪ গেমে জিতে। ছেলেদের তৃতীয় রাউন্ডে তৃতীয় বাছাই স্তান ওয়ারিঙ্কার অবস্থা খারাপ ছিল আরো। দুটি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই সুইস হারতে পারতেন চতুর্থ সেটেই। ড্যান ইভান্সের বিপক্ষে সেই সেটে বাঁচান একটা ম্যাচ পয়েন্ট। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ৪-৬, ৬-৩, ৬-৭, ৭-৬, ৬-২ গেমে জিতে শেষ হাসিটা ওয়ারিঙ্কার। এরপর তাঁর স্বস্তি, ‘ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে জেতাটা সব সময় বিশেষ কিছু। ’

অ্যান্ডি মারেও একটা সেট হেরেছিলেন পাওলো লরিঞ্জর কাছে। তবে ৭-৬, ৫-৭, ৬-২, ৬-৩ গেমে জিতে চতুর্থ রাউন্ডে নাম লিখিয়েছেন ঠিকই। রিও অলিম্পিকে নোভাক জোকোভিচকে হারানো হুয়ান মার্তিন দেল পোত্রোও পৌঁছেছেন শেষ ষোলোতে। ২০০৯ সালের ইউএস ওপেনজয়ী এই আর্জেন্টাইন  ৭-৬, ৬-২, ৬-৩ গেমে হতাশ করেন র্যাংকিংয়ে ১১ নম্বরে থাকা ডেভিড ফেরারকে। এএফপি


মন্তব্য