kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

বাংলাদেশের সেরা পুরস্কার তো এটাই

দেরিতে হলেও টনক নড়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। ২০১৬ সালে এসে তারা দিয়েছে ২০১০ থেকে ২০১২—এই তিন বছরের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। ক্রিকেটে ২০১১ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার জিতেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ। তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতেই মুখোমুখি হয়েছিল কালের কণ্ঠ স্পোর্টস

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশের সেরা পুরস্কার তো এটাই

প্রশ্ন : জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাওয়ার জন্য অভিনন্দন। দেরিতে হলেও পেলেন পুরস্কারটি, পেয়ে কেমন লাগছে?

খালেদ মাসুদ : ধন্যবাদ আপনাকে, পেয়ে খুব ভালো লাগছে।

জীবনে অনেক পুরস্কারই তো পেয়েছি, তবে এই পুরস্কারের মর্যাদা অন্য রকম। বাংলাদেশের সেরা পুরস্কার তো এটাই। এখন দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল।

প্রশ্ন : প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেওয়ার অনুভূতিটা নিশ্চয়ই অন্য রকম?

খালেদ মাসুদ : প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ক্রীড়াপ্রেমী একজন মানুষ। তাঁর সঙ্গে আগেও দেখা হয়েছে, পুরস্কারও নিয়েছি তাঁর কাছ থেকে। তবে সেটা ছিল দলের একজন হিসেবে। এবার নিজের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কার নিচ্ছি, গোটা ব্যাপারটাই অন্য রকম। খুবই সৌভাগ্যবান ভাবছি এ জন্য।

প্রশ্ন : মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল কেমন উপভোগ করলেন?

খালেদ মাসুদ : দারুণ! আমরা প্রচণ্ড উপভোগ করেছি। অনেকের সঙ্গে লম্বা সময় পরে দেখা। ঢাকার বাইরের জেলার যারা আগে খেলতে ঢাকায় আসত, তাদের সঙ্গে অনেক দিন ধরে যোগাযোগ ছিল না। এই উপলক্ষে লম্বা সময় পর দেখা হলো। আমাদের দল রাজশাহী মাস্টার্স যদিও হেরে গেছে, তার পরও খুব মজা পেয়েছি।

প্রশ্ন : অবসর নেওয়াদের খেলায় কার কার মধ্যে খেলোয়াড়ি জীবনের সেই ঝলক খুঁজে পেলেন?

খালেদ মাসুদ : মোহাম্মদ রফিক! ওহ এখনো আগের মতোই আছে। রফিক, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুতসহ বেশ কয়েকজনের খেলা দেখে মনে হয়েছে এখনো দিব্যি খেলতে পারবে।

প্রশ্ন : আর আপনি নিজে? আগের সেই রিফ্লেক্স কি আছে!

খালেদ মাসুদ : সেটা কি আর থাকে! আগে দিনে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা অনুশীলন করতাম। এখন তো করিই না। আগে একটা স্বপ্ন ছিল, সেটাকে তাড়া করতাম। এখন তো আর সেই তাগিদ নেই। স্লিম আছি, দেখলে হয়তো ফিট মনে হয় তবে আগের মতো সেই রিফ্লেক্স আর নেই।

প্রশ্ন : কোর্টনি ওয়ালশ বোলিং কোচ হয়ে এসেছেন বাংলাদেশ দলে। এ নিয়ে আপনার ভাবনাটা?

খালেদ মাসুদ : খুবই ভালো একটা উদ্যোগ। কোর্টনি ওয়ালশ তো খুবই বড় একজন খেলোয়াড়, খুবই ভালো একজন মানুষ। যত দূর জানি তিনি কোচিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, নির্বাচক ছিলেন। তবে এত বড় মাপের ক্রিকেটারের জন্য কোচিং না করানোটা কোনো ব্যাপার না। তিনি লম্বা ক্যারিয়ারে খেলতে খেলতে যা শিখেছেন, সেসবের কিছুটাও যদি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের শিখিয়ে যেতে পারেন, তাহলেও আমরা অনেক উপকৃত হব। বেশ কিছুদিন ধরে, স্পিন বোলিং নির্ভরতা ছেড়ে পেস বোলিং আমাদের প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে। আশা করি ওয়ালশের ছোঁয়ায় সেটা আরো ধারাল হবে।


মন্তব্য