kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এখনো কোটা পদ্ধতি দক্ষিণ আফ্রিকায়

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বিশ্বকাপ, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের কাছে এক অনন্ত আক্ষেপের প্রতিশব্দ। ফাইনালের চৌকাঠ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা প্রোটিয়াদের কম নয়।

গত বছর হয়ে যাওয়া বিশ্বকাপটা হতে পারত সেই আক্ষেপ ঘোচানোর মঞ্চ। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের গ্র্যান্ট এলিয়ট তাঁর জীবনের সেরা ইনিংসটি খেলেছেন বটে, তবে অকল্যান্ডের সেই ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই ঘটেছিল নানা ঘটনা। নিজের আত্মজীবনী ‘এবি; দ্য অটোবায়োগ্রাফি’তে সেই সব অজানা অধ্যায়ই সামনে এনেছেন সেই সময় প্রোটিয়াদের নেতৃত্ব দেওয়া এবি ডি ভিলিয়ার্স। জোহানেসবার্গে গতকাল হয়েছে বইটির মোড়ক উন্মোচন, যেখানে নিজের ব্যাটিংয়ের মতোই বিস্ফোরক কিছু তথ্যও সবার সামনে এনেছেন ‘অলরাউন্ড’ ব্যাটসম্যান।

২০১১ বিশ্বকাপের পর গ্রায়েম স্মিথ ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছাড়লে প্রোটিয়াদের নেতৃত্বের ব্যাটন আসে ডি ভিলিয়ার্সের হাতে। ২০১৫ বিশ্বকাপে অধিনায়কের দুরন্ত ফর্মও পারেনি প্রোটিয়াদের ফাইনালে তুলতে। কারণটা আত্মজীবনীর শেষ অধ্যায় ‘দ্য ড্রিম’ অংশে লিখেছেন ডি ভিলিয়ার্স। যেখান থেকে জানা যায়, স্বীকৃতভাবে না থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকা দলে অদৃশ্যভাবে আছে কোটা পদ্ধতি। যে কারণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জেতা দলের উইনিং কম্বিনেশন ভেঙে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের একাদশে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। কাইল অ্যাবটের পরিবর্তে দলে নিতে হয়েছিল ভারনন ফিল্যান্ডারকে, যাতে একাদশে চারজন অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটার থাকে। দলীয় বৈঠকের আধঘণ্টা আগে একটি ফোন পান ডি ভিলিয়ার্স, ফোনদাতার নাম তিনি জানাননি তবে জানিয়েছেন ফোনেই তাঁকে ফিল্যান্ডারকে দলে নিতে বলা হয়েছিল। সেই ঘটনা বর্ণনায় ডি ভিলিয়ার্স লিখেছেন, ‘ফলে কি হলো? ভারনন যে কিনা শ্বেতাঙ্গ নয়, তাকে নিতে কাইল যে কিনা শ্বেতাঙ্গ তাকে বাদ দিতে হলো। ফলে সেমিফাইনালের একাদশে চারজন অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটারের উপস্থিতি নিশ্চিত হলো। এই সিদ্ধান্তটা কি ক্রিকেটীয় যুক্তিতে নেওয়া হয়েছিল?’

কেভিন পিটারসেন, গ্র্যান্ট এলিয়ট এমনকি নিল ওয়াগনার; দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নিলেও খেলেছেন ভিন দেশের হয়ে। কোটা পদ্ধতির কারণে সুবিচার পাবেন না এই ভয়েই তাঁদের এমন সিদ্ধান্ত। ডি ভিলিয়ার্সের আত্মজীবনীতে উঠে আসা ঘটনায় জানা গেল, এখনো কোটা পদ্ধতি চলছে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে। ক্রিকইনফো

 


মন্তব্য