kalerkantho


ইউরোপে ফিরেই পাতোর গোল

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



ইউরোপে ফিরেই পাতোর গোল

আবির্ভাবে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আলেক্সান্দ্রে পাতো, কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই আভা আর থাকেনি। ইউরোপে পা রেখেছিলেন মিলানে, দলে অনিয়মিত হতে হতে সেখান থেকে একসময় ফিরে যান নিজের দেশ ব্রাজিলে।

বছর তিনেক সেখানেই কাটিয়ে আবারও তাঁর ইউরোপে প্রত্যাবর্তন, এবার চেলসিতে। ফিরে প্রথম ম্যাচেই গোল করেছেন, এই ব্রাজিলিয়ানের পেনাল্টি থেকে করা গোলের সঙ্গে পেদ্রোর জোড়া গোল আর রুবেন লফটাস-চিকের গোলে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ৪-০ গোলে জিতেছে চেলসি। যদিও এই জয়ে ভাগ্যে খুব একটা পরিবর্তন হচ্ছে না স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের বাসিন্দাদের। শিরোপার দৌড় থেকে বহু আগেই পিছিয়ে পড়েছে তারা, এই জয়ে টিকে থাকল ইউরোপা লিগে খেলার সুযোগ পাওয়ার গাণিতিক সম্ভাবনা। লিগ টেবিলের একদম নিচে থাকা অ্যাস্টন ভিলার অবনমনও হয়েছে আরো নিশ্চিত, আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে তাদের খেলার কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

ম্যাচের ২৬ মিনিটে চেলসির অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা তরুণ মিডফিল্ডার লফটাস-চিকের প্রথম প্রিমিয়ার লিগ গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। বিরতির কিছুক্ষণ আগে, পাতো নিজেই আদায় করে নেন পেনাল্টি। বক্সের ভেতর পাতোকে ফাউল করেন অ্যালি সিসোকো, সেই সুবাদে পাওয়া স্পটকিকে গোল করে ইউরোপে প্রত্যাবর্তনটা স্মরণীয় করে রাখলেন পাতো। বিরতির পর প্রথম মিনিটেই অস্কারের পাস থেকে পেদ্রোর প্রথম গোল।

এই গোলেও অস্কারের সঙ্গে গোলের সুযোগ তৈরিতে অবদান ছিল পাতোর। সব মিলিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে হওয়া দুটি গোলেই তাঁর কমবেশি অবদান, সেই সঙ্গে পেনাল্টি থেকে গোল। কোরিন্থিয়ানস থেকে ধারে চেলসিতে এসে অভিষেকটা মনে রাখার মতোই হয়েছে পাতোর।

নিজেদের মাঠে আর্সেনালও ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে ওয়াটফোর্ডকে। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে অ্যালেক্সিস সানচেসের গোলে আর্সেনালের গোল উৎসবের শুরু, ৯০তম মিনিটে থিও ওয়ালকটের গোলে শেষ। মাঝের দুটি গোল অ্যালেক্স আইওবি ও হেক্টর বেলেরিনের। বোর্নমাউথকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটিও, এখানেও স্কোরশিটে নাম চারজনের, অর্থাৎ একটির বেশি গোল নেই কারো। ম্যানসিটির গোলদাতারা হলেন—ফের্নান্দিনিয়ো, কেভিন ডি ব্রুইন, সের্হিয়ো আগুয়েরো ও আলেক্সান্দার কোলারভ। টটেনহামের সঙ্গে এগিয়ে গিয়েও ১-১ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ফিলিপে কৌতিনিয়োর গোলে ৫১ মিনিটে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ৬৩ মিনিটে হ্যারি কেইন গোল করে সমতায় ফেরান টটেনহামকে।

বুন্দেসলিগায় কাল বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২০১তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন ফ্রাঙ্ক রিবেরি। এইনট্রাখট ফাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ২০০ ম্যাচ খেলা এই ফরাসি উইঙ্গারকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়। উজ্জীবিত রিবেরি দলের ১-০ গোলের জয়ে একমাত্র গোলটি করে উপলক্ষটা স্মরণীয় করে রেখেছেন। ম্যাচের ২০তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে দারুণ গোলটি করেন রিবেরি, এই নিয়ে বায়ার্নের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা হয়েছে ৭০। গোলডটকম


মন্তব্য