kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

সেই স্বাধীনতা কাপের ভিডিওগুলো এখনো দেখি

স্বাধীনতা কাপ এলেই যেমন ফরাশগঞ্জের নামটা চলে আসে, তেমনি স্মৃতিপটে ফেরেন সোহেল রানা। ২০১১-র সেই আসরে ফুটবল অঙ্গনকে চমকে দিয়ে ফরাশগঞ্জের শিরোপা জয়ের নায়ক যে এই স্ট্রাইকারই। শেখ জামাল, আবাহনী, মোহামেডানের মতো দল ঘুরে তিনি এখন বিজেএমসিতে। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই কথা বলেছেন তিনি

২ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



সেই স্বাধীনতা কাপের ভিডিওগুলো এখনো দেখি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : স্বাধীনতা কাপ এলে আপনিও নিশ্চয় ২০১১-তে ফিরে যান?

সোহেল রানা : অনেকটাই। আমার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলো ছিল তখন। এখনো ওই আসরের ভিডিও ক্লিপগুলো দেখি। অন্য রকম লাগে।

প্রশ্ন : এরপর আপনার ক্যারিয়ার তো বদলে গেল...

সোহেল : হ্যাঁ, সোজা শেখ জামালে ডাক পেয়ে গেলাম। এরপর আবাহনী-মোহামেডান। তবে এই সময়ে অনেক শিক্ষাও হয়েছে।

প্রশ্ন : শিক্ষাটা কী?

সোহেল : আমাদের মতো খেলোয়াড়ের জন্য আসলে ছোট দলগুলোই ঠিক আছে। বড় দলে খেলার সুযোগ নেই। ওরা স্ট্রাইকার হিসেবে বিদেশিদের খেলাবে, এটা চিন্তা করেই দল সাজায়। আমরা থাকি বিকল্প হিসেবে। খেলতে পারলেও নিজের পজিশন পাই না। আবাহনী, মোহামেডানে আমি যেমন রাইট বা লেফট উইংয়ে খেললাম। কিন্তু আমি নাম্বার নাইন হিসেবেই খেলতে পছন্দ করি। সব কিছু চিন্তা করেই এবার তাই আমি বিজেএমসিতে।

প্রশ্ন : কিন্তু বিজেএমসিতেও এলিটা কিংসলের মতো স্ট্রাইকার আছেন...

সোহেল : এলিটা আছে, কিন্তু ওর সঙ্গে খেলতে আমার সমস্যা হচ্ছে না। এখানে আমি একরকম সেকেন্ড স্ট্রাইকার হিসেবে খেলছি। মাঝে মাঝে সুইচ করছি। আশা আছে নিয়মিতই আমি শুরুর একাদশে থাকব।

প্রশ্ন : কিন্তু সেই সোহেল রানাকে কি পাওয়া যাচ্ছে, আজও আপনাকে পুরো সময় মাঠে রাখা হলো না।

সোহেল : আমাদের খুব বেশি অনুশীলন হয়নি। যে কারণে এখনো জড়তা রয়ে গেছে। বল ঠিকঠাক মিট করতে পারছিলাম না দেখে আমিই কোচকে বলেছিলাম বদলি কাউকে নামাতে। আশা করি ম্যাচ বাই ম্যাচ আমি ছন্দ ফিরে পাব এবং পুরো নব্বই মিনিট খেলব।

প্রশ্ন : বড় দলগুলোতে গিয়ে অনেকেই তো নিজেকে প্রমাণ করছেন কিন্তু ফরাশগঞ্জের সেই মৌসুমের পর আপনাকে সেভাবে আর পাওয়াই যায়নি...

সোহেল : আমি জানি আমার নিজেরও ঘাটতি আছে। তবে শেখ জামাল, আবাহনীতে বেঞ্চে বসে থেকেই আমার মধ্যে হতাশাটা চলে এসেছিল। খেলার উদ্যমও হয়তো হারিয়ে ফেলি। তবে মোহামেডানে আমার সুযোগ ছিল ফেরার। কিন্তু সেখানে আবার ইনজুরিতে পড়ি, তাতে আবার লম্বা সময় মাঠের বাইরে।

প্রশ্ন : জাতীয় দলেও ডাক পেয়েছিলেন, আবার ফেরা কি সম্ভব?

সোহেল : কেন নয়, আমি মনে করি বিজেএমসিতেই আবার আমার নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পাকিস্তান, লেবাননের বিপক্ষে দলে ছিলাম। সেই সময়টাও এখনো খুব মনে পড়ে।


মন্তব্য