kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


৮ জনকে ছাড়াই স্বাধীনতা কাপ

ক্রীড়া প্রতিবেদ   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নিজেদের ভবিষ্যৎ জানতে আরো তিন দিন অপেক্ষায় থাকতে হবে আট ফুটবলারকে। গত সোমবার উচ্চ আদালতের দেওয়া এক আদেশে অনিশ্চিত হয়ে যায় তাঁদের নতুন ক্লাবে খেলা। এই অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে গতকাল পর্যন্ত। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) গতকাল এই আদেশের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চেম্বার জজ বরাবর আবেদন করেছিল। চেম্বার জজ আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের কাছে এবং পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন রবিবার।

শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত গত ২৮ মার্চ বাফুফের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে জাতীয় দলের আট ফুটবলারকে শেখ জামালের কাছে ফিরিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষিত হবে না জানতে চেয়ে চার সপ্তাহ সময় বেঁধে দেন। একই সঙ্গে ওই আট ফুটবলারকে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শেখ জামাল ছাড়া অন্য কোনো ক্লাবে খেলার অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। গতকাল স্থগিতাদেশ চেয়ে চেম্বার জজ আদালতে বাফুফের আইনজীবী আবেদন করলে চেম্বার জজ বিচারপতি মির্জা হুসাইন হায়দার বিষয়টি অধিকতর শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। বাফুফের আইনজীবী ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, ‘গত ২৮ মার্চ শেখ জামাল ক্লাবের করা রিট পিটিশনের বিরুদ্ধে বাফুফের পক্ষে আমরা সিএমপি ফাইল করি। আমরা বলেছি, এখানে কিছু আরবিট্রেশন চলছিল, বাফুফের প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি এ নিয়ে কাজ করছিল। এসব নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই তারা (শেখ জামাল) রিট করেছে। এ জন্য আমরা সিএমপি ফাইল করি। শুনানির পর চেম্বার জজ আগামী রবিবার পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে  পাঠিয়ে দিয়েছেন নিষ্পত্তির জন্য। ’

আদালতের এমন সিদ্ধান্তে আসন্ন স্বাধীনতা কাপের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গতকাল জরুরি সভায় বসেছিল বাফুফের পেশাদার ফুটবল লিগ কমিটি। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে মৌসুম শুরুর এই আসর আর পেছাচ্ছে না। ওই আট ফুটবলার শেখ জামাল ছেড়ে নাম লিখিয়েছিলেন চট্টগ্রাম আবাহনী, শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র এবং আবাহনী লিমিটেডে। এই ফুটবলারদের বাইরে রেখেই তিন ক্লাব স্বাধীনতা কাপ খেলতে সম্মতি জানিয়েছে। তাই কাল থেকে স্বাধীনতা কাপ শুরু হতে আর কোনো বাধা নেই।


মন্তব্য