kalerkantho


সেমিফাইনালে ভারত

২৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সেমিফাইনালে ভারত

৮২* রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ভারতকে সেমিফাইনালে তুলে দিলেন বিরাট কোহলি

২০১১-র বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল ভারত। কাল মোহালিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্ব টি-টোয়েন্টির ম্যাচটিও তো আসলে ছিল ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ই, কারণ জয়ী দলই যে টিকিট কাটত সেমিফাইনালের।

চার বছর আগে আহমেদাবাদে বিজয় উৎসব করেছিল ভারত। মোহালিতেও জয়ী দল অভিন্ন। বিরাট কোহলির ব্যাটিং-বীরত্বে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারত। তাঁর ৫১ বলে করা ৮২* রানের অসাধারণ ইনিংসটায় ভর করে ৫ বল হাতে রেখে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রানের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বিশ্ব টি-টোয়েন্টির স্বাগতিকরা।

স্টিভেন স্মিথ টস জিতে নিয়েছিলেন ব্যাটিং, চার ওভারেই উসমান খাজা ও অ্যারন ফিঞ্চের উদ্বোধনী জুটিতে স্কোরবোর্ডে উঠে গিয়েছিল ৫০ রান। কিন্তু এর পরই ছন্দপতন, ২৬ রান করে খাজার বিদায়ের পর অল্পতেই ফিরে গেলেন ওয়ার্নার (৬) ও স্মিথ (২)। শেষ পর্যন্ত ফিঞ্চের ৪৩, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ৩১ ও শেন ওয়াটসনের ১৮* রানের ইনিংসগুলোর যোগফলে সব মিলিয়ে ১৬০ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে অস্ট্রেলিয়া।

ভারতের শুরুটা অমন বিধ্বংসী ছিল না। উদ্বোধনী জুটিতে ২৩ রান যোগ করে ফিরে আসেন শিখর ধাওয়ান।

খানিকটা পরে শেন ওয়াটসনের বলে স্টাম্প উড়ে গেছে রোহিত শর্মার। সুরেশ রায়ানও করতে পেরেছেন মোটে ১০। যুবরাজকে নিয়ে ধীরে ধীরে ইনিংসটা নির্মাণ করছিলেন কোহলি। ১৮ বলে ২১ রান করে জেমস ফকনারের বলে ওয়াটসনকে ক্যাচ দেন যুবরাজ। তাতে কী! বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের অপূর্ব প্রদর্শনীতে অধিনায়ক ধোনিকে নিয়ে বাকি পথটুকু নির্বিঘ্নেই পাড়ি দিয়ে ভারতকে শেষ চারের টিকিট এনে দেন কোহলি। শেষ তিন ওভারে দরকার ছিল তাদের ৩৯ রান। ফকনারের করা আঠারোতম ওভারে ১৯ রান নিয়ে লক্ষ্যটা সহজ করে ফেলেন তিনি। এরপর কোল্টার নাইলের করা উনিশতম ওভারে কোহলি চারটি চার মারলে ম্যাচটা একেবারে মুঠোয় চলে আসে ভারতের। শেষ ৬ বলে দরকার ছিল মোটে ৪ রান। ফকনারকে প্রথম বলে লং অন দিয়ে সীমানাছাড়া করে সমাপ্তি টেনেছেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’। ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা অবশ্যই কোহলি। ক্রিকইনফো


মন্তব্য