kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

২৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

৪৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের অন্যতম রূপকার মারলন স্যামুয়েলস।

নাগপুরের ‘ভূত’ তাড়ানোর মিশনে নেমেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তা ইমরান তাহির যতই বলুন, ‘ওটা ছিল টেস্ট ম্যাচ, আর এবার টি-টোয়েন্টি—দুটো আলাদা!’ ভারতের বিপক্ষে গত বছর মাত্র ৭৯ রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জার করুণ সুর ঠিকই বাজছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আবহে। বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে সেই ‘ভূত’ আরো বেশি করে চেপে বসল প্রোটিয়াদের কাঁধে। ৪৭ রানের মধ্যে দলের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে কঠিন চাপে পড়া দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ পর্যন্ত কুইন্টন ডি ককের (৪৭) ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেটে করেছিল ১২২ রান। ওই রান ২ বল হাতে রেখে ৭ উইকেট হারিয়ে টপকে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১২৩/৭)। সুবাদে ৩ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়ে সেমিফাইনালের টিকিটও কেটে ফেলেছে ড্যারেন সামির দল। আর প্রোটিয়াদের ভাগ্য ঝুলে থাকল অনেক যদি, কিন্তুর ওপর।

এই ম্যাচের আগে গেইল বনাম এবি ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটিং লড়াই নিয়ে আলোচনা হয়েছে খুব। সেই ডি ভিলিয়ার্স যখন আছেন, তখন ২০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরও হয়তো খুব বেশি দুশ্চিন্তা হয়নি প্রোটিয়া ভক্তদের মনে। শুরুটাও করেছিলেন তিনি প্রত্যাশামতো, কিন্তু ড্যারেন ব্রাভোর নিচু বলে ডি ভিলিয়ার্স (১০) বোল্ড হয়ে গেলে আঁধার ঘনিয়ে আসে দক্ষিণ আফ্রিকার আকাশে।

গেইল-ঝড়ও ওঠেনি কাল নাগপুরে। বল হাতে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে ১৭ রানে ২ উইকেট নিলেও ব্যাটিংয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব। ১২৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে কাগিসো রাবাদার করা প্রথম ওভারে বোল্ড হয়ে ফিরে আসেন গেইল। তবু জনসন চার্লসের ত্রিশ-ছোঁয়া (৩২) এবং ম্যাচসেরা মারলন স্যামুয়েলসের চল্লিশ ছাড়ানো (৪৪) ইনিংস দুটিতে ভর করে সহজ জয়ের পথে হাঁটছিল ক্যারিবীয়রা। পরপর দুই বলে আন্দ্রে রাসেল ও ড্যারেন সামিকে ফিরিয়ে ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়ে আনেন ইমরান তাহির। এরপর ১৯তম ওভারে স্যামুয়েলসও ফিরে এলে নাটকটা জমে আরেকটু। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ক্যারিবীয়দের দরকার ছিল ৯ রান। রাবাদার করা শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সব শঙ্কা দূর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সেমিতে তুলে দেন ক্রেগ ব্রাথওয়েট। ক্রিকইনফো


মন্তব্য