kalerkantho

26th march banner

প্রশিক্ষণ বাজেট চায় কুস্তি হ্যান্ডবল

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



এসএ গেমসের পর ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ক্রীড়াঙ্গন আবার মুখর হয়ে উঠছে। স্বাধীনতা কাপ খেলতে হকি খেলোয়াড়রা প্রথম মাঠে নেমেছেন, একই সময়ে হয়েছে জাতীয় জিমন্যাস্টিকস। এই মুহূর্তে টেবিল টেনিস লিগ, মেয়েদের যুব হ্যান্ডবল ও স্বাধীনতা দিবস কুস্তি চলছে একসঙ্গে। গেমসে টিটিতে ব্রোঞ্জই ছিল বাংলাদেশের সীমানা। হ্যান্ডবল ও কুস্তিতে চমক দেখিয়ে এসেছে ৪টি রুপা। হ্যান্ডবলের মেয়েরা দলগতভাবে জিতেছে একটি, অন্য তিনটি কুস্তির ব্যক্তিগত ইভেন্টে। টিটিতে নতুন শুরুর কোনো উদ্যোগ দেখা না গেলেও এই দুটি খেলার কর্মকর্তাদের চোখে এখন সোনা জয়ের মায়াঞ্জন।

হ্যান্ডবলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর যেমন বলেছেন, ‘রুপা যেহেতু জিতেছি, এখন সোনার জন্য আমাদের ঝাঁপাতেই হবে। নেপালে ২০১৮-র গেমস সামনে রেখে আমরা এই যুব দলটাকেই তৈরি করব। এই খেলোয়াড়দের ওপরই এখন জোর দিতে হবে। ’ মেয়েদের হ্যান্ডবলের অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের এই আসরে মোট ১২টি দল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে কাল নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিজেএমসি। হ্যান্ডবল ফেডারেশন বছরে এমন অন্তত ১৫টি টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। প্রতিটি টুর্নামেন্ট আয়োজনে যে খরচ তা মিটিয়ে জাতীয় দলের আলাদা প্রশিক্ষণের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুদান প্রত্যাশা করেন কোহিনুর, ‘ফেডারেশন সাধ্যমতোই করছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছু পেতে হলে তো সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে। ’ একই প্রত্যাশা কুস্তি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমানের, ‘কুস্তিতে স্পন্সর পাওয়া কঠিন। তার পরও আমরা নানাভাবে টুর্নামেন্টগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু জাতীয় দল নিয়ে বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সে জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে এগিয়ে আসতেই হবে। ’ বড়মাপের পৃষ্ঠপোষকের অভাবেই তাদের স্বাধীনতা দিবস টুর্নামেন্ট করতে হচ্ছে মাত্র চারটি সার্ভিসেস দল নিয়ে। তাবিউর বলছিলেন, ‘জেলা দলগুলোকে আমরা ডাকতেই পারি, কিন্তু দু-তিন লাখ টাকার বাজেটে তা সম্ভব হয় না। ’ কুস্তির নিজস্ব কোনো ভেন্যুও নেই, তারা টুর্নামেন্ট করছে কাবাডি স্টেডিয়ামে। গেমসে ৩টি রুপাসহ ১০টি পদক জেতা ফেডারেশনটি এনএসসির আরেকটু মনোযোগ তো আশা করতেই পারে।


মন্তব্য