kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

জিদান-ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোদের সঙ্গে খেলেছি

ভারতে ডেম্পোতে খেলেছেন তিনি। থাইল্যান্ড ও হংকং লিগেও খেলেছেন। এবার রোহান রিকেটসের বাংলাদেশ অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা আবাহনীর জার্সিতে গতকাল প্রস্তুতি ম্যাচে নামার আগে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন আর্সেনাল ও টটেনহামের এ ব্রিটিশ ফুটবলার।

২৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



জিদান-ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোদের সঙ্গে খেলেছি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : নতুন জায়গা কেমন লাগছে?

রোহান রিকেটস : শেষ পর্যন্ত এখানে আসতে পেরে আমি খুব খুশি। ঢাকা আবাহনীকে ধন্যবাদ, স্পোর্টস এজেন্ট ইমাগোর মাধ্যমে এ ক্লাবে এসেছি (তবে এখনো চুক্তি হয়নি)। নতুন যাত্রায় নতুন উদ্দেশ্য নিয়ে আমি সামনের দিকে তাকিয়ে আছি।

প্রশ্ন : নতুন জায়গায় আপনার কী প্রত্যাশা?

রিকেটস : প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। আমি বুঝতে চেষ্টা করব, এখানকার খেলোয়াড়দের এবং তারা কিভাবে ফুটবল খেলে। এরপর বড় দলে খেলার সুবাদে আমার যে অভিজ্ঞতা আছে, সেটা দিয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করব। তাদের একজন হতে চাই এবং তাদের মান ওপরে তুলে নিতে সহায়তা করতে চাই।

প্রশ্ন : কিন্তু এখানে সাধারণত প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খেলা হয়।

রিকেটস : গত তিনটি বছর আমি গরম আবহাওয়ার মধ্যে খেলেছি, এটা বড় কোনো সমস্যা হবে না। আমি ভারতে গরমের মধ্যেও খেলেছি। পার্থক্য হতে পারে খেলার মাঠে, আর্সেনাল কিংবা টটেনহামের মতো মাঠ নেই এখানে। এটাও সমস্যা নয়, মানিয়ে নিতে হবে আমাকে।

প্রশ্ন : আবহাওয়া কিংবা এখানকার খেলোয়াড়দের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কি সহজ বলে মনে হয়?

রিকেটস : ফুটবলার হলে এটা করতেই হবে আপনাকে। কারণ খেলাটা দলীয়, একা খেলা কঠিন। ইনিয়েস্তা বা আমার বন্ধু জার্মেইন ডেফো এখানে খেলতে এলেও ব্যাপারটা খুব সহজ হবে না। তাই সবার আগে প্রয়োজন দলের সবার সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া।

প্রশ্ন : আর্সেনাল ও টটেনহামে খেলার সুবাদে নিশ্চয়ই অনেক বড় তারকার সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

রিকেটস : ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো যখন ম্যানইউতে ছিল তখন তার বিপক্ষে দুটো ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছিল। জিদানের সঙ্গে একটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে, যা আমার ক্যারিয়ারে স্মরণীয় ঘটনা।

প্রশ্ন : আপনি অনেক জায়গায় খেলেছেন। কোথায় খেলাটাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন?

রিকেটস : অনেক বছর অর্সেনালে কাটিয়েছি, অনেক কিছু শিখেছি আর্সেন ওয়েঙ্গারের কাছে। কয়েক বছর টটেনহামে খেলার সুবাদে রবি কিনের মতো অনেক ভালো বন্ধু হয়েছে। আমেরিকায় মেজর লিগ সকার খেলার সময় আমার সন্তান জন্ম নিয়েছিল, এটা আমার জন্য বড় ঘটনা।

প্রশ্ন : ইংলিশ ফুটবলারদের কি দক্ষিণ এশিয়ায় আসা শুরু হলো?

রিকেটস : অনেক ইংলিশ ফুটবলার এখানে আসার কথা ভাবতে পারে না। গতকাল কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলাম। আমি বাংলাদেশে আছি শুনে তারা হেসে উড়িয়ে দিয়েছে। একটু বিস্মিত হয়েছে তারা। প্রথমে আমি ভারতে আসার পরও তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল এ রকম। তবে তারা এখন ফোন করে ভারতে যাওয়ার জন্য, কারণ আইএসএল।


মন্তব্য