kalerkantho

বুধবার । ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ । ৫ মাঘ ১৪২৩। ১৯ রবিউস সানি ১৪৩৮।


সম্ভাবনা জাগিয়েও পারল না আফগানরা

২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সম্ভাবনা জাগিয়েও পারল না আফগানরা

বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে ছোট দলের কাছে হেরে বসার রেকর্ড আছে ইংল্যান্ডের। ২০০৯ সালে দেশের মাটিতে নেদারল্যান্ডস হারিয়ে দিয়েছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে, ২০১৪ সালে চট্টগ্রামে একই প্রতিপক্ষের কাছে তো তারা ৮৮ রানে অলআউট হয়ে ডুবেছিল লজ্জায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রান তাড়া করে জেতার পরের ম্যাচটাতেও ইংল্যান্ডকে সেই ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তান। তবে ভয় ধরালেও শেষ হাসি ইংল্যান্ডেরই, ফিরোজ শাহ কোটলায় এউইন মরগানের দল জিতেছে ১৫ রানে। ৩ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে তারা জোরালো করেছে সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা।

টস জিতে ব্যাট করা ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ১৬ রানেই নেই ওপেনার জেসন রয়, এরপর জেমস ভিনস আর আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক জো রুটের জুটিটা জমলেও একই ওভারে ৩ উইকেট খুইয়ে বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড। মোহাম্মদ নবির করা ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে নবিকে রিটার্ন ক্যাচ দেন ভিনস, তাঁর বিদায়ে ক্রিজে এসে প্রথম বলেই বোল্ড মরগান আর পরের বলে বেন স্টোকসের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রুট হয়ে যান রান আউট। স্কোরকার্ডে রানটা ৪২ রেখেই উইকেট পড়ে ৩টি। স্টোকস ও জস বাটলারও ফিরে যান এক অঙ্কের রানেই। এমন সময় দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেন মঈন আলী, ৩৩ বলে ৪১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে সংগ্রহটা সম্মানজনক পর্যায়ে নেওয়ার চেষ্টা ছিল তাঁর ব্যাটে। সঙ্গে ক্রিস জর্ডানের ১৫ ও ডেভিড উইলির ২০* রানের ইনিংস দুটির অবদানও কম নয়, সব মিলিয়ে ৭ উইকেটে ১৪২ রানের মোটামুটি সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড।

বাউন্ডারি দিয়ে রান তাড়ার শুরুটা করলেও ক্রমাগত উইকেট পতনে আক্রমণাত্মক মেজাজটা ধরে রাখতে পারেনি আফগানরা। আসগর স্ট্যানিকজাই, গুলবদিন নাইবের মতো বিস্ফোরক ব্যাটসম্যানরা ১ ও ০ রানে আউট হয়ে গেলে রান তাড়ায় সাফল্যের সম্ভাবনা কমে আসে। পরের দিকের ব্যাটসম্যানদের ১০-১৫ রানের ইনিংসগুলো বড় হলে হয়তো ফল ভিন্ন হতো, তা হয়নি ইংল্যান্ডের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে। শেষবেলায় শফিকুল্লাহর ২০ বলে অপরাজিত ৩৫ রানের ইনিংসটা ভয় ধরালেও শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের জয় কেড়ে নিতে পারেনি। ৪১ রান করে ও ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মঈন আলী। ক্রিকইনফো


মন্তব্য