kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

প্রশিক্ষণ সুবিধা বাড়ালে আমরাও সোনা জিততে পারব

এসএ গেমসে কুস্তিতে রুপা জিতেছেন শিরিন সুলতানা। ময়মনসিংহের মেয়ে জাতীয় পর্যায়েও যে চ্যাম্পিয়ন ২০০৯ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত। আগামী এসএ গেমসে রুপা নয়, সোনার পদক গলায় ঝুলাতে চান তিনি। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন সেই প্রসঙ্গেই

২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রশিক্ষণ সুবিধা বাড়ালে আমরাও সোনা জিততে পারব

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : প্রথমবারের মতো এসএ গেমসে অংশ নিয়েছেন, কেমন অভিজ্ঞতা হয়েছে?

শিরিন সুলতানা : ভালো তো অবশ্যই, যেহেতু প্রথমবার অংশ নিয়েই রুপা জিতেছি। তবে আমরা যদি আরেকটু সুযোগ-সুবিধা পাই আমাদের আরো ভালো করা সম্ভব।

প্রশ্ন : রুপার পর আরো ভালো বলতে তো সোনাজয়। তো ভারতীয় কুস্তিগীরদের মাথায় রেখেই তো বলছেন সেটি! ওরা তো এখন অলিম্পিকেও পদক জেতে?

শিরিন : অলিম্পিকের কথা জানি না। তবে ভালো প্রশিক্ষণ পেলে, বিদেশি কোচ পেলে এসএ গেমসে ওদের হারানো অসম্ভব নয়। আমি গেমসে লড়ে এসেছি, সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি এটি।

প্রশ্ন : প্রশিক্ষণে ঘাটতি আপনাদের কোন জায়গায়?

শিরিন : কুস্তির এখনো পর্যন্ত নিজস্ব কোনো ভেন্যু নেই। কখনো হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে, কখনো কাবাডি স্টেডিয়ামে গিয়ে আমরা টুর্নামেন্ট খেলছি। আর সারা বছর অনুশীলন চলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরনো ভবনের জিমনেসিয়ামে। ওখানে একসঙ্গে পাঁচটি ফেডারেশনের ছেলেমেয়েরা অনুশীলন করে। তাতে কি পরিস্থিতি হয় বুঝতেই পারেন। অনুশীলনের ভালো একটা জায়গা আমাদের তাই ন্যূনতম চাহিদা। আর গেমসের আগে আগে শুধু ক্যাম্প নয়, বরং গেমসটা মাথায় রেখে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প হওয়া প্রয়োজন। যেটা ভারতীয়রা করে। ওদের একটা আসর নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয় কমপক্ষে তিন বছর আগে থেকে। সঙ্গে ভালো মানের কোচের ব্যাপারটি তো আছেই।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা দিবস কুস্তি শুরু হয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভালো করার মতো মানসম্পন্ন আসর কি হচ্ছে ঘরোয়া পর্যায়ে?

শিরিন : ততটা হয়তো না। এই স্বাধীনতা দিবস কুস্তিতেই যেমন দেখুন মাত্র চারটি দল খেলছে। আরো বেশি দলের অংশগ্রহণ থাকলে কী হতো, আমরা আরো বেশি খেলোয়াড় পেতাম। সেটা হচ্ছে না। ফেডারেশনের সীমাবদ্ধতা আছে তারা অত বড় টুর্নামেন্ট করার স্পন্সর জোগাড় করতে পারছে না। একই অবস্থা হয় গেমসের ক্যাম্পের সময়। আমরা অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত খেলোয়াড় পাই না ক্যাম্পে। ৫০ জন নিয়ে ক্যাম্প শুরু করলে হয়তো ভালো ফল পাওয়া যায়, কিন্তু আমরা পাই ১৫ জন। তাতে অনুশীলন কষ্টকর হয়ে পড়ে।

প্রশ্ন : কুস্তির বাইরে আপনি তো আরো অনেক খেলাই খেলেন, সেগুলো নিয়ে কী ভাবনা?

শিরিন : আমি মূলত কুস্তিরই খেলোয়াড়। মাঝখানে উশু করেছিলাম, কুস্তির টেকনিকগুলো সেখানে খুব কাজে লাগে। আর আনসারে থাকলে একজনকে এমন অনেক খেলায়ই অংশ নিতে হয়। এখন অবশ্য আমি আনসারে নেই।


মন্তব্য