kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

ফুটবলার হাসান আল মামুনের অবসরের জন্য ক্লাব মুখ্য না

ঘরোয়া ফুটবলে হাসান আল মামুনের ২৩ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি হতে যাচ্ছে এবারের মৌসুমে। চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে একটি ম্যাচ খেলেই অবসরে যাবেন একসময়ের দেশসেরা এই ডিফেন্ডার। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ফুটবলার হাসান আল মামুনের অবসরের জন্য ক্লাব মুখ্য না

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : মোহামেডান, আবাহনী বা মুক্তিযোদ্ধার হয়েও যদি আপনি অবসরে যেতেন সেটিই নিশ্চয় বেশি মানানসই হতো।

হাসান আল মামুন : প্রথম কথা, ফুটবলার হাসান আল মামুনের অবসরের জন্য ক্লাব মুখ্য ব্যাপার না। হ্যাঁ, গত মৌসুমে মোহামেডানে খেলেই আমি অবসরে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই সুযোগ হয়নি। এ মৌসুমে চট্টগ্রাম আবাহনীতে আমি খেলোয়াড় কাম কোচ হিসেবে থাকব। লিগে কোনো একটা ম্যাচে নেমেই হয়তো আনুষ্ঠানিক অবসর নিয়ে নেব।

প্রশ্ন : মোহামেডানে সেই আনুষ্ঠানিকতা সম্ভব ছিল না?

মামুন : না, তখন আসলে আমি খেলতেই চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই সুযোগ হলো না। পুরো মৌসুম বেঞ্চে কাটাতে হলো। আর এক মৌসুম খেলার বাইরে থাকা অনেক কিছু। এখন আবার খেলার সেই ইচ্ছাটাই মরে গেছে। যে কারণে শুধু আনুষ্ঠানিকতার কথাই ভাবছি।

প্রশ্ন : সেই ১৯৯২ সালে আপনার ক্যারিয়ার শুরু, দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে খেলেছেন—কোন সময়টা সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল?

মামুন : সত্যি বলতে সব ক্লাবের হয়েই আমি উপভোগ করেছি। ’৯২ সালে বিজেএমসিতে যখন ঢুকি, তখন আমি ক্লাস টেনের ছাত্র.... ভালো লাগাটাই অন্য রকম ছিল। এরপর ফকিরেরপুলে এলাম, আমার ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে অনেক সমর্থন পেয়েছি তাদের কাছ থেকে। এরপর আবাহনীতে যোগ দিয়েই আমি মূলত লাইমলাইটে এলাম। নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে মুক্তিযোদ্ধাতে যোগ দেওয়াটাও ছিল বড় ঘটনা, সবচেয়ে বেশি সময় খেলেছি আমি এই ক্লাবে, উপভোগও করেছি। এরপরই এলাম মোহামেডানে, বয়সের বাধা না মেনে সেখানে আমি পারফর্ম করেছি। শেষদিকে অন্যতম সেরা মৌসুম কাটিয়েছি শেখ জামালের হয়েও।

প্রশ্ন : চট্টগ্রাম আবাহনী এবার শিরোপা জয়ের দল গড়েছে, কাদের মূল প্রতিপক্ষ মনে হচ্ছে?

মামুন : বেশ কয়েকটি দলই আছে। শেখ রাসেলও বেশ ভালো দল গড়েছে। আবাহনী, শেখ জামালও সমানভাবে লড়াই করবে শিরোপার জন্য। মোহামেডান কেমন দল করেছে জানি না, তবে ওরাও একটা বড় ফ্যাক্টর হবে।

প্রশ্ন : আপনাদের দলের শক্তি-দুর্বলতার জায়গাগুলো কী?

মামুন : সব মিলিয়ে শক্তিশালী একটা দল হয়েছে সন্দেহ নেই। তবে স্থানীয় স্ট্রাইকার তেমন কাউকে নেওয়া হয়নি। এটা একটা ঘাটতি। বিদেশি দিয়ে যেটা পূরণের চেষ্টা চালানো হবে।

প্রশ্ন : এই দলের মামুনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন জাতীয় দল থেকে নিষিদ্ধ, ক্লাবের হয়ে পারফরম্যান্সে কি তাতে কোনো প্রভাব পড়তে পারে?

মামুন : না, এই খেলোয়াড়রা অনেক স্মার্ট। তারা বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে।


মন্তব্য