kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বড় শক্তি হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম আবাহনী

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দলবদলে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপ্লব সাড়া। জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমানদের নিয়ে চমত্কার এক দল নিয়ে তারা মৌসুমের সব ট্রফি জেতার মিশনে নেমেছে।

খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা মিলে যখন সর্বজয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তখন ক্লাবের ফুটবল দল গড়ার মূল কারিগর আবাহনীর পরিচালক ও ফুটবল চেয়ারম্যান তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্বপ্নে লাগাম টানছেন, ‘আমরা একটা ভালো দল গড়েছি, কিন্তু দল হলেই তো হয় না, মাঠে পারফর্ম করতে হবে। আমার লক্ষ্য লিগ বা যেকোনো টুর্নামেন্ট এক থেকে তিনের মধ্যে থাকা। প্র্যাকটিস কেবল শুরু হয়েছে, আস্তে আস্তে বোঝা যাবে এই দলের সামর্থ্য কতটুকু। ’

চট্টগ্রাম আবাহনী দেশের ফুটবলে বড় কোনো শক্তি ছিল না। কখনো মাঝারি মানের দল কখনো-বা শরিক থাকত অবনমনের লড়াইয়ে। গত প্রিমিয়ার লিগ শেষ করেছে নবম হয়ে। এরপর বছরের শেষের দিকে নিজেদের আয়োজনে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট জেতার পর আবাহনীর বড় হওয়ার সাধ জাগে। এই লক্ষ্যে তারা প্রথমেই হানা দেয় চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব ভেঙে নিয়ে আসে মামুনুল ইসলাম, নাসির চৌধুরী, ইয়ামিন আহমেদ, সোহেল রানা, তকলিস আহমেদ, রুবেল মিয়া ও রায়হান হাসানকে। শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র ছেড়ে এই দলে যোগ দেন জাহিদ হোসেন ও রেজাউল করিম। মোহামেডান থেকে এই দলে নাম লিখিয়েছেন গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা, ইব্রাহিম, বিপ্লব, নুরুল নাইম, মেজবাবুল হক মানিক। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে বড় তারকা মামুনুল ইসলাম নিজের শহরের দলে গেছেন ৫০ লাখ টাকারও বেশি দামে। এটাই এ মৌসুমের সর্বোচ্চ চুক্তি। মামুনুল ইসলামের স্বপ্ন, ‘আমার নিজের শহরের দলকে শিরোপা উপহার দেওয়া জন্য এসেছি। দলটি ভালোই হয়েছে, ভালো কয়েকজন বিদেশিও ক্যাম্পে এসেছে। ’

তিনজন বিদেশি ক্যাম্পে হাজির থাকলেও রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে একজনকে। এক মৌসুম আগে শেখ রাসেলে খেলে যাওয়া মিডফিল্ডার তারেক আল জানাবিকে। এ ছাড়া ক্যাম্পে আছেন দুই স্ট্রাইকার হাইতিয়ান ফ্যাব্রিক্স নোয়েল ও মরোক্কোর জোয়েল ওমারি। বিদেশিদের রেজিস্ট্রেশনের সময় এখনো আছে বলে প্র্যাকটিসে ভালোভাবে দেখে নিতে চায়। সমস্যায় পড়েছে দলের কোচ নিয়ে। দল গঠনের মাঝপথে শফিকুল ইসলাম মানিক চট্টগ্রাম আবাহনী ছেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে তারা। স্লোভাকিয়া থেকে এখন কোচ আনার চেষ্টায় আছে চট্টগ্রামের ক্লাবটি।


মন্তব্য