kalerkantho


অ্যাতলেতিকো-সিটির উল্লাস

১৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



অ্যাতলেতিকো-সিটির উল্লাস

পরশু রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে কোনো গোলই হলো না। তবু ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতাটির শেষ আটে যোগ হলো আরো দুটি নাম।

গোলশূন্য ড্র করেও ইতিহাস লিখেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ডিনামো কিয়েভের মাঠে প্রথম লেগ ৩-১ গোলে জিতে ফেরায় নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আট নিশ্চিত করেছে ম্যানসিটি। তাদের সঙ্গে নাম লেখানো অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে অবশ্য দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা। পিএসভি এইন্দহোফেনের মাঠ থেকে গোলশূন্য ড্র করে ফেরা মাদ্রিদের ক্লাবটি ঘরের মাঠেও নির্ধারিত সময় শেষ করে একইভাবে। অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোল করতে না পারলে ফল নিষ্পত্তির জন্য ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে পিএসভিকে ৮-৭ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো স্প্যানিশ ক্লাবটি নিশ্চিত করেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আট।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে দুদলই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে অনেকবার। কখনো গোলরক্ষকের অবিশ্বাস্য সেভে, কখনো আবার ভাগ্যের মারপ্যাঁচে গোলের মুখ খোলেনি। শেষ পর্যন্ত দুই লেগ মিলিয়ে ২১০ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে না পারলে টাইব্রেকারে গড়ায় খেলা।

পেনাল্টি শ্যুটআউটে প্রথম পাঁচ শটের সবকটি লক্ষ্য ভেদ করে অ্যাতলেতিকো ও পিএসভি। ‘সাডেন ডেথে’ও প্রথম দুটি জালে জড়ায়, কিন্তু তৃতীয় শটটি ডাচ ক্লাবটির ফরোয়ার্ড লুসিয়ানো নারসিং বারে মারলে সুযোগ তৈরি হয় স্বাগতিকদের। অ্যাতলেতিকো ডিফেন্ডার সেটা কাজে লাগিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের আনন্দে ভাসান ভিসেন্তে কালদেরনকে।

গত আসরেও অ্যাতলেতিকো কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বেয়ার লেভারকুসেনকে টাইব্রেকারে হারিয়ে। শিষ্যদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচ ডিয়েগো সিমিওনে অবশ্য জানিয়েছেন, তারা কখনো পেনাল্টির অনুশীলন করেন না। কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিতের পর তাই পুরো কৃতিত্ব দিলেন তাঁর সহকারী জার্মান বারগোসকে। আর নিজের অনুভূতি ভাগাভাগি করলেন এভাবে, ‘পুরো স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল উৎসবের নগরীতে। আমরা একবারের জন্যও বিশ্বাস হারাইনি। ’

টানা দুইবার শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ম্যানসিটিকে। আর দুইবারই তাদের হতাশ করেছে বার্সেলোনা। এবার তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার পর আশায় বুক বেঁধেছিল সিটিজেনরা। নিরাশ করেননি ফুটবলদেবতা, কিয়েভের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেও ৩-১ অগ্রগামিতায় প্রথমবারের মতো উঠেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে। এএফপি


মন্তব্য