kalerkantho


ইডেনের সমর্থনে বিস্মিত পাকিস্তানও

কলকাতা থেকে প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ইডেনের সমর্থনে বিস্মিত পাকিস্তানও

দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচসেরা শহীদ আফ্রিদি

খেলা যখন বাড়ির পাশের কলকাতায়, আর প্রতিপক্ষ যখন পাকিস্তান—দুকূল উপচানো সমর্থন কেন আশা করবে না বাংলাদেশ! অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও তো ম্যাচের আগে জানিয়ে রাখেন প্রত্যাশার সেই দাবি। কিন্তু ইডেন গার্ডেন্সের গ্যালারি কাল একেবারে ভিন্ন চেহারায়।

বাংলাদেশের লাল-সবুজের চেয়ে বেশি উড়ল পাকিস্তানের চাঁদ-তারা। পাকিস্তানের জয়ধ্বনির স্লোগানে হারিয়ে যায় বাংলাদেশের সমর্থনের কণ্ঠ। তাতে অন্য সবার মতো মাশরাফির না চমকে উপায় আছে!

কিন্তু অধিনায়কদের যে অনেক কিছু বলতে নেই! মাশরাফির মনে যা-ই থাকুক, মুখে বলেন না সে কথা। বরং নিজ দলের ক্রিকেটীয় ব্যর্থতাগুলোই সামনে নিয়ে আসেন তিনি, ‘আসলে ইডেনের দর্শক সমর্থনে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমরা যখন এখানে খেলতে নেমেছি, এটা পরিকল্পনা করে তো আর নামিনি। আর আমরা যে একেবারে সমর্থন পাইনি, তাও না। মূল কথা হচ্ছে, আমাদের যে খেলার কথা ছিল সেটি পারিনি। কিছু রান যদি আটকাতে পারতাম তাহলে খেলাটা অন্য রকম হতো। ’

পাকিস্তানের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা মোহাম্মদ হাফিজ তো আর অধিনায়ক নন।

একটু খোলামেলা কথা বলতে তাই বাধা নেই, ‘‘অবশ্যই আমরা এখানে সমর্থন আশা করেছিলাম। কিন্তু এত সমর্থন যে পাব, তা ভাবিনি। ইডেন গার্ডেন্সের গ্যালারিতে পাকিস্তানের পতাকা উড়ছে আর উঠছে ‘পাকিস্তান জিতেগা’ স্লোগান—এতটা আমরা আশা করিনি। হ্যাঁ, এতে আমরা কিছুটা চমকে গেছি। ’

ভারতের মাটিতে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন যেমন কাল আলোচনায়, তেমনিভাবে শহীদ আফ্রিদির বিস্ফোরক ব্যাটিংও। ‘পাকিস্তানের চেয়ে ভারতে আমরা ভালোবাসা বেশি পেয়েছি’—তাঁর এই এক মন্তব্যে আগুনে ঘৃতাহুতি যেন। তাঁকে প্রচারের আড়ালে রাখতে ম্যাচের আগের দিনও আনা হয়নি সংবাদ সম্মেলনে। কাল ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পাওয়ার পরও না।


মন্তব্য