kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

নৌবাহিনী দেশের খেলাধুলাকে এগিয়ে নেবে

ক্রীড়াঙ্গনে নৌবাহিনী এখন নতুন শক্তি। অ্যাথলেটিকস, সাঁতার, বাস্কেটবল ও হকির বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। এবারের এসএ গেমসেও মাহফুজা খাতুনের দুটি সোনাসহ মোট ১৬টি পদক জিতেছেন নৌবাহিনীর খেলোয়াড়রা। বাহিনীর পক্ষ থেকে সেই কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনার দিনই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন নৌ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সচিব কমান্ডার এম শহিদ হাসান

১৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নৌবাহিনী দেশের খেলাধুলাকে এগিয়ে নেবে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করার জন্যই নিশ্চয় এ সংবর্ধনা?

শহিদ হাসান : হ্যাঁ, আমরা চাই তারা যেন সাফল্যটা ধরে রাখে। ওরা যে ভালো করেছে তার একটা স্বীকৃতিও দেওয়া হলো এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

প্রশ্ন : গেমসে ২টি সোনার পাশাপাশি ১৪টি ব্রোঞ্জ, এর বাইরেও তো নৌবাহিনীর অনেক সাফল্য রয়েছে।

শহিদ : আজ দূরপাল্লার দুজন সাঁতারুকেও সংবর্ধিত করা হয়েছে। গত বছর মুর্শিদাবাদে ওরা সোনা ও রুপা জিতেছিল। এর আগে আল আইনে বিশ্ব ক্লাব কাপ দাবায় আমাদের একজন দাবাড়ু চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কাল স্বাধীনতা দিবস হকিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নৌবাহিনী। সাঁতার ও বাস্কেটবলেও কিন্তু আমরা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন।

প্রশ্ন : সাফল্যগুলো সাম্প্রতিক সময়েই বেশি।

শহিদ : সাম্প্রতিক বলতে ২০১৪-১৫ মৌসুমেই বেশির ভাগ অর্জন। নৌবাহিনীর গত ৪০ বছরের ইতিহাসেও এত সাফল্য নেই।

অ্যাথলেটিকসে প্রথমবার আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, হকিতে চ্যাম্পিয়ন, এর আগে দাবায় দল গড়েই শিরোপা জিতেছি। আমাদের খেলোয়াড় সংখ্যাও ১১০-১১৫ থেকে বেড়ে এখন ৩০৫ জন।

প্রশ্ন : কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন?

শহিদ : খেলোয়াড়দের আমরা চিফ পেটি অফিসার পর্যন্ত র্যাংক দিচ্ছি। সাধারণ একজন নাবিকের এ অবস্থানে যেতে ২৬-২৮ বছর চাকরি করতে হয়। হকির রাসেল মাহমুদ বাহিনীতে নাম লিখিয়েই এ র্যাংক পাচ্ছে। এরপর পেটি অফিসার ছাড়াও নিচের দিকে আরো দুটি ধাপে আমরা খেলোয়াড়দের রেখেছি। র্যাংক অনুযায়ী সব রকম সুযোগ-সুবিধা ওরা পায়। ওদের সবচয়ে বড় সুবিধা হলো খেলোয়াড়ি জীবন শেষেও নৌবাহিনীর চাকরিটা ওদের থেকে যাচ্ছে, ভবিষ্যত্ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে না।

প্রশ্ন : কিন্তু জাতীয় পর্যায় নিয়েই কি শুধু আপনাদের ভাবনা, এই যে অ্যাথলেটিকসে এসএ গেমসে দুটি ব্রোঞ্জের বেশি পেল না বাংলাদেশ, তাতে নৌবাহিনীর কি কিছু করণীয় নেই?

শহিদ : অবশ্যই আছে। নৌবাহিনী দেশের জন্যই সব সময় কাজ করে। খেলাধুলায়ও উদ্দেশ্যটা ভিন্ন না। বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি খেলোয়াড়দের মান আরো বাড়ানোর জন্য, যাতে তারা দেশকে কিছু দিতে পারে।

প্রশ্ন : নৌবাহিনীর নিজস্ব কোনো অ্যাথলেটিকস ট্র্যাক, হকি টার্ফ ও শ্যুটিং রেঞ্জ নেই। এ ঘাটতিগুলো কবে পূরণ হবে?

শহিদ : খুব শিগগির পূরণ হবে। খিলক্ষেতে আমাদের একটা ঘাঁটি আছে। যেখানে খেলোয়াড়দের বাসস্থান থেকে শুরু করে আধুনিক সব ক্রীড়া স্থাপনা হবে।


মন্তব্য