kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


সাইকের ধারেকাছে নেই কেউ

ক্রীড়া প্রতিবেদক    

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সাইকের ধারেকাছে নেই কেউ

জিমন্যাস্টিকস এসএ গেমসেও নেই। যে কারণে এ দেশে খেলাটার চর্চা একেবারেই আড়ালে। মাঝখানে সাইক সিজার উদয় হলে বাংলাদেশেই জিমন্যাস্টিকস নিয়ে সাড়া পড়ে যায়। একে একে অলিম্পিক, কমনওয়েলথ, এশিয়ান গেমসে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন। বাংলাদেশের জিমন্যাস্টদের জন্য যা ছিল কল্পনারও অতীত। সাইক না থাকলে আবার তো তারা সেই তিমিরেই। কাল শেষ হলো ৩৪তম জাতীয় জিমন্যাস্টিকস, তাতে জিমন্যাস্টদের যা মান সাইকের সঙ্গে তুলনা করলে সেই পার্থক্য এখনো আকাশ-পাতাল।

ঢাকায় সাউথ-সেন্ট্রাল এশিয়ান জিমন্যাস্টিকসে ১৪.৬০ স্কোর করে প্যারালাল বারে সোনা জিতেছিলেন সাইক। কাল একই ইভেন্টে শহীদুল ইসলাম সোনা জিতলেন ১২.৭০ পয়েন্টে। ‘প্রায় ২ পয়েন্টের এই ব্যবধান ঘুচাতে হলেও একজন খেলোয়াড়ের পেছনে মাসে কম করে হলেও পাঁচ-সাত লাখ টাকা আমাদের খরচ করতে হবে। সে সামর্থ্য কি আমাদের আছে’—বলছিলেন সাবেক জিমন্যাস্ট হাবিবুর রহমান জামিল। বিজেএমসির কর্মকর্তা হিসেবে এ আসরে তিনি কাজ করছেন। বিজেএমসি, আনসারের একজন খেলোয়াড়ের মাসিক আয়ই পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা। শহীদুল ইসলাম, আবুল কামাল আজাদদের সাইকের মতো হতে চাওয়াটা তাই বাড়াবাড়ি। এবারের আসরে অল অ্যারাউন্ডে ৬৯.৪৫ স্কোর করে সোনা জেতা আবুল কালাম অতটা দূরের স্বপ্ন দেখেনও না, ‘আমাদের ন্যূনতম কিছু চাহিদা আছে, যেমন অনুশীলনের জায়গা, বাড়তি কিছু অনুশীলন সরঞ্জাম, দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প—তাহলেও আমরা অনেক দূর এগোতে পারি। এক বিকেএসপি ছাড়া সারা দেশে জিমন্যাস্টিকসের একটা পিটও নেই। সাইকের অনুশীলনের খোঁজ করে দেখুন ওর বাড়িতেও বোধ হয় একটা আছে। ’


মন্তব্য