অপবাদ ঘোচানোর আরেকটি মিশনে দ. আফ্রিকা-335000 | খেলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


অপবাদ ঘোচানোর আরেকটি মিশনে দ. আফ্রিকা

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রজন্মের পর প্রজন্ম, বছরের পর বছর—সময় বয়ে যায় তার নিয়মে, শুধু মুক্তি মেলে না দক্ষিণ আফ্রিকার! বরং অপবাদটা আরো আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে তাদের। কতজনই তো স্বপ্ন দেখিয়েছেন। হ্যান্সি ক্রোনিয়ে, শন পোলক, গ্রায়েম স্মিথ—সবাই পূর্বসূরিদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘চোকার্স’ শব্দের প্রতিশব্দই বানিয়ে ফেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে! এবার কি মুক্তি মিলবে বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে? বরাবরের মতো অন্য অধিনায়কদের মতো এবারও একই কথা শোনালেন ফাফ দু প্লেসিস। ক্রিকেটের বড় আসর থেকে ট্রফি না জেতা পর্যন্ত যে এই অপবাদ থেকে মুক্তি নেই, সেটা অজানা নেই এই ব্যাটসম্যানেরও।

৫০ ওভার কিংবা টি-টোয়েন্টি—ক্রিকেটের যে ফরম্যাটই হোক, বড় টুর্নামেন্টে পা রাখে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেভারিটের তকমা গায়ে সেঁটে। গোটা বছর মাঠে দাপট দেখানো সেই প্রোটিয়ারাই কেন জানি মুষড়ে পড়ে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে। গত বছরের বিশ্বকাপটাই যেমন। যে দাপট দেখিয়ে তারা পা রেখেছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে, তাতে শিরোপা জয়ে তাদের ফেভারিট না ধরে উপায় ছিল না। কিন্তু আরো একবার ‘চোকার্স’ অপবাদ গায়ে সেঁটে বিদায় নিতে হয়েছিল সেমিফাইনালে হেরে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চাপের ভার বইতে না পারার ইতিহাস ভারতের বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতেও ফিরবে কি না, সংবাদ সম্মেলনে দু প্লেসিসের কাছে প্রশ্নটা প্রত্যাশিতই ছিল। ইতিহাস তো তিনি আর অস্বীকার করতে পারেন না। মেনেও নিলেন, ‘(চোকার্স অপবাদ) এটা থেকে তখনই মুক্তি মিলবে যখন চাপের মধ্যেও ভালো পারফর্ম করতে পারব। আর আমার কাছে মনে হয় মানুষজন এমনটা বলতেই পারেন। পিঠের ওপর থেকে এই বোঝাটা সরানোর একটিই পথ আছে, সেটা হলো যদি আপনি শিরোপা জিততে পারেন।’ বিশ্ব টি-টোয়েন্টি শুরুর আগে অবশ্য এসব নিয়ে এখন ভাবছেন না প্রোটিয়াদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক, ‘এখন আমরা এ বিষয়টা নিয়ে একেবারেই ভাবছি না। আমরা শুধু চেষ্টা করব ভালো ক্রিকেট খেলার।’

দক্ষিণ আফ্রিকার বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই খেলেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল)। ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে খেলার অভিজ্ঞতার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছেন দু প্লেসিসও, ‘স্কোয়াডের বেশির ভাগ খেলোয়াড় আইপিএলে খেলে, তাই এখানকার (ভারতের) কন্ডিশন মোটেও অপরিচিত নয়। আমরা ভালো করেই জানি এখানে কী করতে হবে।’

দেখা যাক চেনা কন্ডিশনে ‘চোকার্স’ অপবাদটা এবার ঘোচাতে পারে কি না দক্ষিণ আফ্রিকা! এএফপি

মন্তব্য