kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মেয়েদের ক্রিকেট মানেই সালমা

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মেয়েদের ক্রিকেট মানেই সালমা

বাংলাদেশে গলফ আর সিদ্দিকুর রহমান যেমন রূপ নিয়েছে প্রতিশব্দে, তেমনি মেয়েদের ক্রিকেটের সমার্থক হয়ে উঠেছেন সালমা খাতুন। তাঁর নেতৃত্বেই ওয়ানডে মর্যাদা পায় বাংলাদেশ, অংশ নেয় ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব আসরে।

ব্যাটিং, বোলিং দুই ভূমিকাতেই উজ্জ্বল সালমা খাতুনের নাম শোনা যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তৃতাতেও। একটি ইংরেজি দৈনিকের বিজ্ঞাপনে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সালমা খাতুনের নাম দেখা যায় ব্যস্ততম সড়কের বিলবোর্ডে। আইসিসির র্যাংকিংয়ে টি-টোয়েন্টির শীর্ষ ক্রিকেটারও হয়েছিলেন সালমা। ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্ব আসরে মেয়েদের সেরা একাদশেও দলে ছিলেন খুলনার মেয়ে, যাঁর বাড়ি চেনে এলাকার সবাই। বাংলাদেশ মহিলা দল প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ২০১১ সালে, বিকেএসপিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সালমা। ওয়ানডেতে এখনো অধিনায়কত্ব তাঁরই, টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য এখন আর নেতৃত্বে নেই তিনি। সেরা পারফরম্যান্স পেতেই নেতৃত্বের চাপ কমানো হয়েছে সালমার ওপর থেকে। ১৮টি এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন সালমা, তাতে ২৫৫ রান আর ১৯ উইকেট, হাফসেঞ্চুরি করেছেন একটি। আহমেদাবাদে ভারতের বিপক্ষে তাঁর অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংসটি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরও। টি-টোয়েন্টি সালমা খেলেছেন ২৬টি, তাতে রান করেছেন ৪০৮ আর উইকেট নিয়েছেন ২৮টি, সর্বোচ্চ ৪৯* আর সেরা বোলিং ৬ রানে ৪ উইকেট।

টি-টোয়েন্টির বিশ্ব আসরের বাছাই পর্বে খুব একটা ভালো সময় কাটেনি সালমার। তিনটি ম্যাচ খেলে পেয়েছিলেন মোটে একটি উইকেট। প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০ রান করেছেন, উইকেট অবশ্য একটি পেয়েছেন। কিন্তু সালমার সামর্থ্য আছে এর চেয়ে বহুগুণ ভালো করার। ব্যাটে-বলে অভিজ্ঞতায় দলের প্রাণশক্তি তো সালমাই। তাঁর কাছ থেকে সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া গেলে সাফল্য পাবে বাংলাদেশও, ভারতে টি-টোয়েন্টির বিশ্ব আসরে এমন আশা তো করাই যায়।


মন্তব্য