ঝুলনের বলে চার মারতে চান নাহিদা-334654 | খেলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


ঝুলনের বলে চার মারতে চান নাহিদা

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ঝুলনের বলে চার মারতে চান নাহিদা

একটা সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের শক্তি ছিল বাঁহাতি স্পিন। ২০০৭ বিশ্বকাপে রফিক-রাজ্জাক-সাকিব ত্রয়ীর সাফল্যই হয়তো উৎসাহ জুগিয়েছিল পরবর্তী প্রজন্মকে। টিভির পর্দায় তাঁদের দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছিল উঠতি প্রজন্ম। তাদেরই টি-টোয়েন্টির বিশ্ব আসরে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশ মহিলা দলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নাহিদা আখতার। এখনো বিকেএসপির শিক্ষার্থী নাহিদা বাঁহাতি স্পিন বোলিং করেন। জাতীয় দলের চৌহদ্দিতে নতুন পা রাখা নাহিদার স্বপ্ন যত দিন সম্ভব জাতীয় দলে জায়গাটা ধরে রাখা। বিকেএসপি এবং বাঁহাতি স্পিনের যোগসূত্রে তাঁর প্রিয় খেলোয়াড়টি যে সাকিব আল হাসান, সেটাও নিশ্চয় আন্দাজ করে ফেলেছেন!

ক্রিকেটার হতেই বিকেএসপির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন নাহিদা। তখন অবশ্য বাঁহাতি স্পিনার হবেন জানতেন না। কারণ বাছাই পর্বে মেয়েদের মাঝে খোঁজা হয়েছিল খেলার মৌলিক দক্ষতাগুলোই। সেসবে উতরে যাওয়ার পর বিকেএসপিতে এসে স্বাভাবিকভাবেই বাঁহাতি নাহিদাকে বাঁহাতি স্পিনার বানিয়ে দেন প্রশিক্ষকরা। এ ক্ষেত্রে কোচ ডলি দের কথাই খুব করে বললেন নাহিদা। বিকেএসপির এই কোচই তাঁকে উৎসাহ দিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার হতে। জাতীয় দলে খেলা এনামুল হক, সৌম্য সরকাররা নাহিদার কাছে ‘বিজয় ভাই, সৌম্য ভাই’। বিকেএসপির সাবেক এই দুই শিক্ষার্থীসহ অনেককেই নাহিদা দেখতেন মাঠে অনুশীলনে। তাঁদের গায়ে জাতীয় দলের ট্র্যাকসুট দেখে স্বপ্ন দেখতেন একদিন তাঁর গায়েও উঠবে বাঘের ছাপ মারা বাংলাদেশ দলের জার্সি। সেই স্বপ্নের দিনটা অবশেষে এসেই গেল নাহিদার জীবনে। গেল বছর, ৪ অক্টোবর পাকিস্তান সফরে গিয়ে করাচিতে সানা মীরের দলের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল নাহিদার। জানালেন, খুব করে চাইতেন অভিষেকটা হোক পাকিস্তানের বিপক্ষে। বিশ্ব আসরের বাছাই পর্বের ফাইনালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদা, শেষ পর্যন্ত ২ রানের হারের আক্ষেপ রয়েই গেছে। সেটা ঘোচাতে চান মূল পর্বে গিয়ে। কিভাবে? ঝুলন গোস্বামীর বলে বাউন্ডারি মেরে! এটাই নাকি নাহিদার অনেক দিনের ইচ্ছা!

মন্তব্য