kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

এখানে এসেছি নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিয়ে

কয়েক দিন আগে আবাহনীতে এসেছেন লি এন্ড্রু টাক। গত বছর ভুটানে কিংস কাপে এই ব্রিটিশ ফুটবলারকে চোখে পড়েছিল আবাহনী কর্মকর্তাদের। ছয় মৌসুম থাই লিগে খেলা এই স্ট্রাইকার গতকাল আবাহনীর জার্সি গায়ে প্রীতি ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে। এই গোলশূন্য ড্র ম্যাচের পর লি এন্ড্রু মুখোমুখি হয়েছিলেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



এখানে এসেছি নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিয়ে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আবাহনীর জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছেন। কেমন লেগেছে?

লি অ্যান্ড্রু টাক : এটা ভালো একটা ম্যাচ ছিল।

দুদলই খেলেছে সমান সমান। আমার প্রথম ম্যাচ, এখানকার অনেক ফুটবলারকে দেখেছি, পরিচয় হয়েছে। ম্যাচে গোল হয়নি, তবে এটা আমার জন্য একটা ইতিবাচক ম্যাচ।

প্রশ্ন : আপনি থাইল্যান্ডের নাখন রাচাসিমা এফসির হয়ে খেলেছেন। কিন্তু এখানকার গরম আবহাওয়ায় খেলতে কি কোনো সমস্যা হবে?

লি : হ্যাঁ, এই দলের হয়ে গত মৌসুমে আমি ১৫ গোল করেছি। গত ছয় মৌসুম ধরে আমি থাইল্যান্ডে খেলছি, একশর মতো গোলও করেছি। থাইল্যান্ড আর এখানকার আবহাওয়া প্রায় একই রকম। আশা করি, এর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সমস্যা হবে না।

প্রশ্ন : দীর্ঘ ছয় মৌসুম থাই লিগ খেলার পর আবাহনীতে আসা কেন?

লি : দীর্ঘ ছয় মৌসুম থাইল্যান্ডে খেলার পর এখানে এসেছি নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে। ফুটবলার হিসেবে বিশ্বের অনেক জায়গায় খেলতে চাই আমি, তাতে ফুটবল বিশ্বটাও দেখা হয়ে যাবে। এখানে স্কোর করতে না পারলে আবার থাইল্যান্ডে ফিরে যাব।

প্রশ্ন : আবাহনীর সঙ্গে চুক্তি নিশ্চয়ই হয়ে গেছে।

লি : আমার সঙ্গে এক মৌসুমের চুক্তি হয়েছে। ইন্টারনেটেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খবরাখবর জেনেছি। এ ছাড়া গত বছর ভুটানের কিংস কাপে বাংলাদেশের দুটি দলের (আবাহনী ও শেখ জামাল) বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। গত মৌসুমে থাই লিগে ১৮ দলের মধ্যে অষ্টম হয়েছিল আমাদের দল।

প্রশ্ন : প্রথম ম্যাচে মানিয়ে নেওয়া কঠিন। তবে মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বলও যায়নি আপনার পায়ে। আপনার কি মনে হয়েছে ভালো মিডফিল্ডারের অভাব আছে?

লি : সত্যি বললে কোনো সুযোগ আমি পাইনি। জাতীয় দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ। আমাদের দলটা এখনো ঠিকঠাক গড়ে ওঠেনি। আশা করছি, এক সঙ্গে প্র্যাকটিসের পর দলটা ভালোভাবে তৈরি হয়ে যাবে। ভালো ফাইনাল পাস না হলে সুযোগ তৈরি করাটাও কঠিন। আমার মনে হয় এই দলটিতেও ভালো মিডফিল্ডার আছে। একসঙ্গে প্র্যাকটিস করলে বোঝাপড়াটা ভালোভাবে হয়ে যাবে। এই ম্যাচে আমরা কেউ শতভাগ দিতি পারিনি।

প্রশ্ন : স্ট্রাইকার হিসেবে আপনার বড় গুণ কী?

লি : আমি গোল করতে পারি, করাতেও পারি। নির্দিষ্ট একটা পজিশনের খেলোয়াড় না আমি। আমার বৈচিত্র্য হলো, স্ট্রাইকিং পজিশন ছাড়াও ডানদিক-বাঁদিকেও খেলতে পারি। এ ছাড়া স্ট্রাইকারের ঠিক পেছনে থেকেও বল বানিয়ে দিতে পারি।


মন্তব্য