kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


লন্ডনকে স্তব্ধ করে প্যারিসের উৎসব

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



লন্ডনকে স্তব্ধ করে প্যারিসের উৎসব

আবারও লন্ডনকে স্তব্ধ করে উৎসব করল প্যারিস। গত বছরের দৃশ্যটাই যেন ফিরে এলো চ্যাম্পিয়নস লিগে।

গত মৌসুমে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ড্র করে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতাটির কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেরা প্যারিস সেন্ত জার্মেই এবার চেলসিকে হারিয়েই উঠেছে শেষ আটে। জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ব্লুদের ২-১ গোলে হারিয়ে ৪-২ অগ্রগামিতায় টানা চতুর্থবার চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পিএসজি। আগের ম্যাচে জেনিত সেন্ত পিটার্সবার্গের মাঠে ২-১ গোলের জয় নিশ্চিত করা বেনফিকা ৩-১ অগ্রগামিতায় উৎসব করেছে শেষ আট নিশ্চিতের।

গত মৌসুমের সঙ্গে এবারের পার্থক্য ছিল, ঘরের মাঠের প্রথম লেগ জিতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে নেমেছিল পিএসজি। ফিরতি লেগে সেবার ২-২ গোলে ড্র করেও অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল প্যারিসের ক্লাবটি। এবার ঘরের ম্যাচের পর ফিরতি লেগেও জয় পেয়েছে তারা চেলসির বিপক্ষে। শুরু থেকে ব্লুদের রক্ষণে আক্রমণ চালানো ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে যেতে সময় লাগেনি। ১৬তম মিনিটে আদ্রিয়েন রাবিয়টের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় পিএসজি। ডান প্রান্ত থেকে ইব্রাহিমোভিচের ক্রস থেকে ফরাসি মিডফিল্ডারের গোলে পরিসংখ্যান আরো কঠিন হয়ে যায় চেলসির। যদিও ২৭ মিনিটে ডিয়েগো কোস্তার লক্ষ্যভেদে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত ভালোভাবেই দিয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু ৬৭ মিনিটে নিভে যায় আশার শেষ প্রদীপটাও। আনহেল দি মারিয়ার ক্রস থেকে ভলিতে ইব্রাহিমোভিচ জাল খুঁজে পেলে ম্যাচ শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগেই কোয়ার্টার ফাইনালের উৎসবে মেতে ওঠে প্যারিস।

শিষ্যদের পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি পিএসজি কোচ লরাঁ ব্লঁ, ‘আমার মনে হয় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল আমাদের কাছে। এমনকি যখন আমরা ব্যর্থ হচ্ছিলাম, তখনো হতাশ হয়নি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটাই আসলে সহজ করে দিয়েছে কাজ। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট। ’ জয়ের নায়ক ইব্রাহিমোভিচ কিন্তু সন্তুষ্ট নন! তিনি আসলে বুঝিয়েছেন দলের কথা। কোয়ার্টার ফাইনালের চৌকাঠ যে পেরোতে পারছে না পিএসজি। সুইডিশ স্ট্রাইকার তাই বলছিলেন, ‘অনেক ভালো করেছি আমরা। সাফল্যের এই দৌড় কোথায় থামবে জানি না, তবে আমরা এখনো সন্তুষ্ট হতে পারিনি। ’ টানা দ্বিতীয়বার পিএসজির বিপক্ষে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নেওয়া চেলসির অন্তর্বর্তীকালীন কোচ গাস হিডিঙ্কের হতাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। একই সঙ্গে ভাগ্যকেও দোষ দিতে পারেন ডাচ কোচ। চোটের কারণে যে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়েছিল দলের দুই সেরা খেলোয়াড় কোস্তা ও এডেন হ্যাজার্ডকে।

রাশিয়ায় শেষ ৫ মিনিটের নাটকীয়তায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে বেনফিকা। পর্তুগাল থেকে ০-১ গোলে হেরে আসা জেনিত ঘরের মাঠে ৬৯ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল হাল্কের লক্ষ্যভেদে। কিন্তু ৮৫ মিনিটে নিকোলাস গাইতান ও ইনজুরি টাইমে তালিস্কার গোলে ২-১ ব্যবধানের জয়ে ২০১২ সালের পর আবার চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে বেনফিকা। এএফপি


মন্তব্য