চাপের কারণেই পারফর্ম করতে পারিনি-333872 | খেলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


মুখোমুখি প্রতিদিন

চাপের কারণেই পারফর্ম করতে পারিনি

এসএ গেমসে যে গুটিকয়েক ডিসিপ্লিনে সোনার প্রত্যাশা ছিল, আর্চারি তার অন্যতম। কিন্তু গত আসরের মতো এবারও হতাশ করেছেন আর্চাররা। দেশের অন্যতম সেরা আর্চার ইমদাদুল হকও আরো একবার ব্যর্থ। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি।

৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



চাপের কারণেই পারফর্ম করতে পারিনি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের কারণেই দেশে জনপ্রিয় হয়েছে আর্চারি, কিন্তু এসএ গেমসে আপনারা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না?

ইমদাদুল হক : হ্যাঁ, আর্চারিতে সোনা জয়ের আশা ছিল সবার। সেটা আমরা পূরণ করতে পারিনি। পদক হয়তো আগেরবারের চেয়ে বেশিই এসেছে এবার। কিন্তু সোনা জেতার চাপটা আমরা নিতে পারিনি। জানেনই, আর্চারি পুরোটাই মনোসংযোগের খেলা। চাপের মধ্যে পারফর্ম করাটা কঠিন। আমরা সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি।

প্রশ্ন : আপনাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি ছিল না বলেই জানি। বিদেশি কোচ পেয়েছেন, অনুশীলনও হয়েছে নির্বিঘ্ন। প্রায় সারা বছরই আপনাদের ক্যাম্প হয় যেখানে, সেখানে শুধু চাপের কারণেই ব্যর্থতা?

ইমদাদুল : আর তো কোনো কারণ দেখছি না। প্রস্তুতিতে আসলেই কোনো ঘাটতি রাখেনি ফেডারেশন। এর পরও সোনার লড়াইয়ে গিয়ে আমরা পেরে উঠিনি। এটাকে দুর্ভাগ্যই বলতে পারেন।

প্রশ্ন : আপনার নিজের পারফরম্যান্সের কথা কী বলবেন, ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা দূরে থাক গতবারের মতো এবারও কোনো পদকই পেলেন না!

ইমদাদুল : আমার পারফরম্যান্স গত এক বছর ধরেই ওঠানামা করছে। গত বছর আনসারের ট্রেনিংয়ে ছিলাম প্রায় ছয় মাস। এর পরই খেলায় ফিরে দেখেছি আগের ছন্দটা আর নেই। এসএ গেমসের দলে ডাক পাব কি না তা নিয়েই সংশয় ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই বাছাইয়ে এত ভালো করলাম যে দলে জায়গা হয়ে গেল।

প্রশ্ন : বাছাইয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারার দায়টা তো আপনারই, নাকি?

ইমদাদুল : গেমসে র্যাংকিং রাউন্ড থেকে এক দেশের কেবল দুজন সুযোগ পেয়েছে। অন্য প্রতিযোগিতাগুলোতে কিন্তু আরো বেশি সুযোগ দেওয়া হয়। সে রকম হলে কিন্তু আমারও একটা সুযোগ থাকত।

প্রশ্ন : কিন্তু বাংলাদেশের যে দুজন সুযোগ পেয়েছেন তাঁদের একজন তো আপনিও হতে পারতেন...

ইমদাদুল : সেটা ঠিক, কিন্তু পারফরম্যান্সের ওঠানামার কারণেই হলো না।

প্রশ্ন : গেমস শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আপনার মূল্যায়নটা কী?

ইমদাদুল : আমি আর কি মূল্যায়ন করব! মূল্যায়ন তো করবেন আপনারা। দেশে একজন আর্চার, একজন ভারোত্তোলক, সাঁতারু, বক্সার, কুস্তিগীরের কতটাই বা মূল্যায়ন আছে, আপনারা তো জানেন।

প্রশ্ন : নিজের ক্ষেত্রে কি এ কথা আপনি বলতে পারেন? আপনাকে নিয়ে দেশে কম মাতামাতি হয়নি, আর্চারিতে আপনিই প্রথম, যাঁকে অলিম্পিকে পর্যন্ত সুযোগ দেওয়া হয়েছে...

ইমদাদুল : সেটা ঠিক, অনেক সুযোগ পেয়েছি।  কিন্তু সবাই তো তা পায় না।

মন্তব্য