kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সাকিবকে নিয়ে সংশয় এবং স্বস্তি

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সাকিবকে নিয়ে সংশয় এবং স্বস্তি

আগের দিন অনুশীলনের সময় বল লেগেছিল ঊরুতে। আইসপ্যাক দিয়ে সাময়িক চিকিৎসা নেওয়া সাকিব আল হাসান গতকাল একই ব্যথা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় বেরিয়ে যান নেট থেকে।

সেই থেকে ফাইনাল ফেলে সবার কৌতূহল খেলতে পারবেন তো নামি এ অলরাউন্ডার? শুশ্রষা দিয়ে এসে জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন, ‘সাকিব ভালো আছে। ওর ইনজুরি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। কাল (আজ) খেলছে। ’

ক্রিকেটাররা চোট পান, আর নতুন নতুন মেডিক্যাল টার্মের সঙ্গে পরিচয় হয় সংবাদকর্মীদের। সাকিবের এ চোটটার ডাক্তারি পরিভাষা, ‘হিপ ফ্লেক্সর’। কোমর আর ঊরুর সন্ধিস্থলের পেশির চোটকে এ নামেই চিহ্নিত করা হয় বলে জানিয়েছেন বায়েজিদ। সাকিবের চোটের বিস্তারিতও জানিয়েছেন তিনি, ‘আজকের ইনজুরিটা আসলে কন্টিনিউয়েশন। আগে বল লেগেছিল। তাই আজকের ঐচ্ছিক অনুশীলনে যেতে ওকে আমরা নিষেধ করেছিলাম। তারপরও ও একটু গিয়েছিল। খুব বেশি প্র্যাকটিস করেনি। ভালো আছে এমনিতে। ফাইনালের আগেই রিকভার করবে। ’

জাতীয় দলের ফিজিওর মনে পেশির এ জাতীয় ব্যথা ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানেই সেরে যায়। এ জন্য বিশেষ কোনো চিকিৎসার প্রয়োজনও হয় না, ‘এটা পেশির ব্যথা। এ ধরনের ব্যথা সাধারণত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। কখনো কখনো ২৪ ঘণ্টাতেও আকস্মিকভাবে ব্যথা চলে যেতে পারে। তাই চিন্তার কিছু নেই। ’

ব্যথা নিয়েও খেলোয়াড়দের মাঠে নামার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। ব্যথা না কমলে সাকিবকে বেদনানাশক ইনজেকশন দিয়ে খেলানো হবে কি না, সে প্রশ্নের উত্তরে বায়েজিদ জানিয়েছেন, ‘মেডিকেশন তো অবশ্যই আছে। ওষুধ খেতে হয়। তবে ইনজেকশন দিলেই ব্যথা চলে যাবে, সেটা অবধারিত নয়। ইনজেকশন কখনো রেসপন্স করে কখনো করে না। তবে দেখা যাক, ইনজেকশন দিতে হয় কি না। এ ব্যাপারে কাল সিদ্ধান্ত নেব। ’


মন্তব্য