kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আমার কাঁধে দেশের ভার

রণজিৎ বিশ্বাস   

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



শুরুতেই চমত্কার যখন আল-আমিনের আউয়াল শিকারে শিখরসন্ধানী পাকিস্তান ১ উইকেটে ৭; তারপর চমত্কারের পর চমত্কার, একদিকে রান উঠছে না আরেকদিকে উইকেট পড়ছে ঘটাঘট। ১২ রানে নাই দ্বিতীয়, ১৮ রানে তৃতীয় ও ২৮ রানে নাই ওদের চতুর্থ উইকেট।

মাঝখানে এসে অতি চমত্কার, যখন ১০ ওভারে ওদের ভাণ্ডে জমা মাত্র ৪ উইকেটে ৩৪।

তারপরও, আমরা ম্যাচটা সহজে জিততে পারিনি। আনন্দের হাওয়ায় সব সময় ফুলকো লুচির মতো থাকতে পারি না। ক্ষণে ক্ষণে দুশ্চিন্তার বলিরেখা উদ্বেগের কপালে ভাঁজ ফেলেছে, দাঁতের ধারে আমাদের নখ কাটতে হয়েছে।

রিভার্স সুইপ। তারপর কাত হয়ে যাওয়া বেজান স্টাম্পের মাথায় বাড়ি মেরে রাগ দেখালেন। রাগটা কার ওপর।

তারপরের দুশ্চিন্তা যখন তিন ওভারে দরকার ২৬, দু’ওভারে ১৮, তারপর মাহমুদ উল্লাহর চৌকোয় মৃত্যুর মৃত্যুদণ্ড।

এবার চব্বিশ ঘণ্টা পরের বিশ্লেষণ, যখন বিজয়ের নন্দনন্দ আনন্দ হাওয়া একটু শান্ত। আত্মসন্তুষ্টি ও আত্মপরিতৃপ্তির তফাত্টা বুঝতে হবে। ফাইনালে ওঠার শ্লাঘাস্ফীত অবস্থায় ৬ তারিখ মাঠে নামা যাবে না। সেদিন সবচেয়ে কঠিন দিন, এমন ছবি মাঠে নামবে না। যারা কিছুই প্রায় করেনি এখনো, তাদের সেদিন তুঙ্গ ছুঁতে হবে, ক্ষমতার তুঙ্গ, অঙ্গীকারের তুঙ্গ। সবাইকে জপ করতে হবে আমার কাঁধে দেশের ভার, আমার শিরে স্বপ্নের মুকুট।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও ক্রিকেট বিশ্লেষক, সাবেক সচিব


মন্তব্য